Sharing is caring!

ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র সাউথ ইন্ডিয়ান “পুষ্পা: দ্য রাইজ”। ভারত বা দেশটির বাহিরেও এই ছবিটির চিত্রনাট্য, গান থেকে শুরু করে সিনেমার বিভিন্ন সংলাপ ও অঙ্গভঙ্গিও দারুণ জনপ্রিয় হয়। তারই মধ্যে অন্যতম হলো “পুষ্পা, পুষ্পা রাজ! আপুন ঝুঁকেগা নেহি সালা!” চলচ্চিত্রের মুখ্য চরিত্র আল্লু অর্জুনের মুখের এ সংলাপটি সর্বমহলে বেশ গ্রহণযোগ্যতা পায়।

সংলাপটি এতটাই সাড়া জাগানিয়া হয় যে রূপালি পর্দার গণ্ডি ছাড়িয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রের অনেকেকেই তা অনুকরণ করতে দেখা যায়। সেই ধারা এবার গিয়ে পড়েছে পরীক্ষার খাতায়ও। অনলাইন সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতে চলমান ২০২২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার উত্তরপত্রে এক পরীক্ষার্থী কিছুই লিখে আসতে পারেনি। ফলে সে সম্পূর্ণ সাদা খাতা জমা দিয়েছে। তবে সে খাতায় লিখে দিয়েছে “পুষ্পারাজ,আপুন লিখেগা নেহি” (পুষ্পারাজ, আমি কিছুই লিখতে চাই না)। যদিও এর সত্যতা যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন।

দীর্ঘ দুই বছর পর এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়েছে মধ্যশিক্ষা পরিষদ। কীভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে তা নিয়েও নির্দেশনা দিয়েছিল তারা। সূত্র অনুযায়ী, উত্তরপত্রের মূল্যায়নে গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে সমস্যায় পড়তে হবে। ইতোমধ্যেই শিক্ষকদের ২৮ এপ্রিলের মধ্যে উত্তরপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, হয়তো মে মাসের মধ্যেই মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়ে যাবে। এ পরিস্থিতিতে চলছে জোর গতিতে চলছে উত্তরপত্র নিরীক্ষণ। আর তা দেখতে গিয়েই বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে পরীক্ষকদের।

পুষ্পারাজের সংলাপ লেখা ওই শিক্ষার্থীর মতো অনেকেই কিছু না লিখে সাদা খাত জমা দিয়েছেন। কোনো কোনো কোথাও পরীক্ষার্থী আবার প্রশ্নপত্রটাই লিখে দিয়ে এসেছে। প্রকৃতপক্ষে মহামারির প্রভাবে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে অনেকটাই দূরে চলে গিয়েছে। যদিও স্কুল বন্ধ থাকলেও অনলাইনে ক্লাস চালু ছিল। কিন্তু সরাসরি ক্লাসের মতো পড়াশোনার আবহ না থাকায় বইয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।

Sharing is caring!