Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশের আইজিপি বেনজীর আহমেদের উদ্যোগে সারা দেশের মতো নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের জগদানন্দ গ্রামের বিধবা কমলা খাতুন (৫০) কে দেওয়া দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি পাঁকা ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।

মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার, পুলিশ হবে জনতার, এই স্লোগানকে সামনে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ঘটিকায় নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো: শহিদুল ইসলাম আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধনের মাধ্যমে বিধবা কমলার হাতে ঘরের চাবি বুঝিয়ে দিয়ে ঘরটি হস্তান্তর করেন।

 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জোতি ক্ষীসা, মোর্তাহীন, কবিরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন, ধানসিড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল খাঁন, প্যানেল চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন ফারুক, ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল মন্নান সোহাগ, ঘরের ভুমিদাতা মো: মিজানুর রহমানসহ পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ।

 

জানা যায়, প্রতিবন্ধী মেয়ে তসলিমাকে (১৮) নিয়ে দুঃখের শেষ নেই বিধবা কমলা খাতুনের । স্বামীর মৃত্যুর পর ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসার চালান এই বিধবা নারী কমলা। দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতেন অন্যের জায়গায়, ঝুপড়ি ঘরে। সীমাহীন দুঃখে কষ্ট আর ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করেই কাটতো বিধবা কমলা খাতুনের (৫০) জীবন-জীবিকা।

উপজেলার ৩নং ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের উত্তর জগদানন্দ গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবদুল খালেকের স্ত্রী কমলা খাতুন।

 

নতুন ঘর পেয়ে কমলা খাতুন বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। পুলিশ আমাদের জন্য যা করছে সেটি কোনও দিন ভুলবার নয়। বাংলাদেশ পুলিশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান বিধবা কমলা ও তার পরিবার।

 

এসময় কমলার মেয়ে হাসিনা বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে খালপাড়ে ঝুপড়ি ঘরে অনেক কষ্টে বসবাস করতাম। ঝড়বৃষ্টিতে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিতে হতো আমাদের। এখন পুলিশ আমাদেরকে একটি ঘর দিয়েছে। তাই আমরা অনেক খুঁশি।

Sharing is caring!