Sharing is caring!

প্রতিবেদক:

সোয়া এক কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সাবেক সহকারী কার্যনির্বাহী আলী আজম খান ও তার স্ত্রী জাহান আরার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৩ জুন) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির উপ-সহকারী পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর রাইজিংবিডিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৬ মে আলী আজম ও তার স্ত্রীকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয় দুদক। ওই বছরের ২৭ মে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব দাখিল করেন তারা। সম্পদ বিবরণীতে আলী আজম খান স্থাবর ও অস্থাবরসহ মোট ২ কোটি ৫৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য দাখিল করেন। এর মধ্যে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৮ হাজার ৬৬৩ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বলে দুদকের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।

মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য ও রেকর্ডপত্র দাখিল করায় দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২), ২৭(১) ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলাটি দায়ের করেছে দুদক।

অপরদিকে, কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে খাদ্য পরিদর্শক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের রংপুর সজেকার উপ-সহকারী পরিচালক নূর আলম বাদী হয়ে মামলা করেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য রাইজিংবিডিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার আসামি হলেন- কুড়িগ্রাম নাগেশ্বরীর খাদ্য পরিদর্শক নুর মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রীর মিসেস সাজদা বেগম।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মিসেস সাজেদা বেগম দুদকে ১৬ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫০ টাকার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য সংবলিত সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছেন। এছাড়া দুদকের অনুসন্ধানে ৯২ লাখ ২৪ হাজার ৭৫৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যা নুর মোহাম্মদ আলী ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্জন করে বলে দুদকের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। আর আয়ের উৎস গোপন বা আড়াল করার জন্য এসব সম্পদ স্ত্রী সাজেদা বেগমের নামে করেছেন।

দুদক আইন-২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) (৩) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলাটি দায়ের দুদক।

Sharing is caring!