জব্দ করা হয়েছে রিজেন্ট গ্রুপ চেয়ারম্যান সাহেদের পাসপোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট::

 

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের রিজেন্ট গ্রুপের মূল অফিস থেকে এই পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তপন চন্দ্র সাহা বলেন, ‘বিকেল ৪টার দিকে আমরা রিজেন্ট গ্রুপের মূল অফিসে যাই। তখন অফিসটি সিলগালা করা ছিল। সে সময় আমাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। তাঁর উপস্থিতিতেই আমরা ভেতরে প্রবেশ করি। রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া প্রতারণার মামলার তদন্তে নেমে আমরা সব কিছু তলিয়ে দেখার চেষ্টা করছি। অফিসটি তল্লাসি করতে করতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আমরা তাঁর পাসপোর্টটি জব্দ করি।’

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তির নাম রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. সাহেদ। তিনি নানাবিধ প্রতারণার ফাঁদ পেতে অর্থ আয় করে আয়েশি জীবন-যাপন করতেন। সব সময় নিজের সঙ্গে দুজন গানম্যান রাখতেন। তাঁর স্ত্রী সাদিয়ার সঙ্গেও থাকত এক গানম্যান। রাস্তায় ভিআইপি মর্যাদা নিতে গাড়িতে বাজাতেন সাইরেন। সাহেদকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সাহেদকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

চিকিৎসা সেবা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গত ৬ জুলাই বিকেল থেকে রাত অবধি উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালটির মূল কার্যালয়ে প্রথমে অভিযান পরিচালনা করেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখান থেকে অভিযান শেষে হাসপাতালটির মিরপুর শাখায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় হাসপাতালটির আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়।

এরপর ৭ জুলাই রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের কোভিড ডেডিকেটেড রিজেন্ট হাসপাতালটি সিলগালা করে দেয় র‍্যাব-১। এ ছাড়া উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের রিজেন্ট গ্রুপের মূল কার্যালয়ও সিলগালা করা হয়। ৭ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।

রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে প্রায় চার হাজার করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছে। একজন কম্পিউটার অপারেটর বসে বসে সাড়ে চার হাজার রিপোর্ট তৈরি করেছেন। মনগড়া রিপোর্ট পজিটিভ-নেগেটিভ দিয়েছেন।

তা ছাড়া মোট ১০ হাজার রোগীর করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে রিজেন্ট হাসপাতাল। মাত্র চার হাজার ২৬৪টি নমুনা সরকারিভাবে টেস্ট করে রিপোর্ট দেয়। এ ক্ষেত্রে ভয়াবহ প্রতারণার কৌশল গ্রহণ করে রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কারো জ্বর থাকলে তাকে পজিটিভ আর জ্বর না থাকলে নেগেটিভ রিপোর্ট প্রদান করে।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১