Sharing is caring!

বিশেষ প্রতিবেদক, নোয়াখালী:

 

 

মহামারি করোনা দিন দিন বেড়েই চলছে। কঠোর লকডাউনেও কমছেনা করোন সংক্রমন নোয়াখালীতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৫৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় এ ফল পাওয়া যায়। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এটি গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত।

 

এপর্যন্ত জেলায় মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৩৬ জন। মোট আক্রান্তের হার ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের।

 

সোমবার (১৪ জুন) রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় এ তথ্য প্রকাশ করে।

এ বিষয়ে রাত পৌনে ১২টার দিকে জেলা সিভিল সার্জন ডা.মাসুম ইফতেখারের ফোনে যোগাযোগ করলে তিনিও বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরো জানান, এটি গত এক বছরের মধ্যে জেলায় এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১২৫ জন সদর উপজেলার, সুবর্ণচরের একজন, বেগমগঞ্জের ২০ জন, সোনাইমুড়ীর তিনজন, চাটখিলের ৬ জন, সেনবাগের দুইজন, কোম্পানীগঞ্জের ২৭জন ও কবিরহাটের সাতজন রয়েছেন।

 

জেলা সিভিল সার্জন মাসুম ইফতেখার আরও বলেন, এছাড়া সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ১৩০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭২ দশমিক ৪৯
ভাগ।

 

এদিকে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দুই হাজার ৫৭৯জন। কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে (শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম) ভর্তি রয়েছেন ৪৫ জন ও আইসোলেশনে রয়েছেন ১২জন।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে নোয়াখালীর পৌরসভা ও সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে চলমান লকডাউনের সময়সীমা ১৮ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে লকডাউনের তৃতীয় দিনে নোয়াখালী পৌরসভা ও সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে লকডাউন অনেকটা ঢিলেঢালা ভাব দেখা গেছে। তবে শহর এলাকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধ থাকতেও দেখা যায়। মাইজদী বাজার থেকে দত্তেরহাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহরের প্রধান সড়কে যাত্রীবাহী বাস না চললেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছিল। কর্তব্যরত পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তৎপরতার ভেতরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে।

 

জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার জানান, লকডাউন বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন। এরপরও কিছু সড়কে কিছু অটোরিকশা চলাচলের চেষ্টা করছে। সেগুলোও নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

Sharing is caring!