Sharing is caring!

ফাইল ছবি

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার শরীর থেকে থেমে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। সেখানে খালেদা জিয়ার দায়িত্বে থাকা চিকিৎকরা তাৎক্ষণিকভাবে ইনজেকশন দিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ করেছেন। তবে খালেদা জিয়ার মেডিকেলে বোর্ডের চিকিৎসরা ধরাণা করছেন যে কোনো সময় বড় আকারের রক্তক্ষরণ হতে পারে। এধরনের রক্তক্ষরণ হলে তার অবস্থা অত্যন্ত শঙ্কার মধ্যে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে খালেদা জিয়ার শরীরের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে এবং বিদেশে তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয়তা ও সরকারের সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরতে কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এবিষয় নিয়ে শুক্রবার হোটেল লেকশোরে মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে এক সেমিনারে এ বিষয়গুলো বন্ধুরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের কাছে তুলে ধরা হবে। সেমিনারে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের মতামতও তুলে ধরবেন দলটির নেতারা। মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য জানিয়েছেন, নতুন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক ও ইনজেকশন দিয়ে খালেদা জিয়ার লিভারের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। লিভারে যাতে প্রেশার না পড়ে এবং কোনো ক্ষতি না হয় সে জন্য রুটিন মাফিক খাওয়া-দাওয়ার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, খালেদা জিয়র ইদানিং ক্ষুধা কমে যাচ্ছে। এর কারণে শরীরে ফের ইলেকট্ররাইল ইমব্যালান্স অর্থাৎ খনিজে অসমতা দেখা দিচ্ছে। তবে তিনি মানসিকভাবে শক্ত আছেন। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা দেখভাল করতে প্রতিদিনই হাসপাতালে যাওয়া-আসা করছেন তার পুত্রবধূ শর্মিলা রহমান সিথি। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও হাসপাতালে যাচ্ছেন। তবে হাসপাতালের কঠোর বিধিনিষেধের কারণে তারা সিসিইউতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পারেন না।

Sharing is caring!