Sharing is caring!

প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছে। এবার বাজারে বেড়েছে সবজি, চাল, মুরগি ও ডিমের দাম। এতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত টিকে থাকার লড়াই করতে হচ্ছে তাদের। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা বেড়েছে। তবে সেই হিসেবে সরবরাহ বাড়েনি। পরিবহন ব্যয়ও এখন আকাশছোঁয়া। তাই দাম নিয়ন্ত্রণে রাখাটা দুষ্কর। আজ শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর ভিবিন্ন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, (গোল) বেগুন ৮০ টাকা, (লম্বা) বেগুন ৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, গাঁজর প্রতিকেজি ৪০ টাকা, চাল কুমড়ার পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭০-১০০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা, ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা ও পেঁপের কেজি ৪০ টাকা।

বর্তমানে চিকন চাল জিরা নাজিরশাইল বিক্রি করা হচ্ছে ৬০ থেকে ৬১ টাকা কেজি দরে। আর কাটারি নাজির (পুরনো) বিক্রি করা হচ্ছে ৬৭ টাকা কেজি দরে। তবে খুচরা বাজারে এসব চাল বিক্রি করা হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকা কেজি দরে। এছাড়া মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা চাল খুচরা পর্যায়ে বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। এদিকে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা। একই সঙ্গে বেড়েছে ডিমের দাম। প্রতি ডজন ডিম স্থানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকা।

বড় দানার মসুর ডাল ৯৫-১০০ ও ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকা। দাম কমেছে দেশি পেঁয়াজ ও রসুনের। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ৩০, দেশি রসুন ৬০ এবং চায়না রসুন ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর দাম আরো কমেছে। গত সপ্তাহ পর্যন্ত যে আলু ২০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে এখন তা ১৭ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। পেঁয়াজের দাম আগের সপ্তাহের মতোই, ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

Sharing is caring!