নোয়াখালী সুবর্ণচরে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ১ সন্তানের জননীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ঐ নারী ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮ টায় চরজব্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত যুবদল নেতা আব্দুর রহমান (৩২) সুবর্ণচর উপজেলার চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি এবং কাটা বুনিয়া গ্রামের বেলালগো বাড়ীর খুরশিদ আলমের পুত্র।
https://youtu.be/Gg1O1YuTsRs
ঘটনাটি ঘটে গত ১০ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, চর আমান উল্যাহ গ্রামের মতিউর রহমানের বাড়ীতে।
বর্তমানে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে এবং ভিন্নখাতে নিতে বিএনপি ও যুবদলের প্রভাবশালী একাধিক নেতা কাজ করছেন বলে জানাযায় সেই সাথে মামলা তুলে নিতেও বাদী পক্ষের লোকজনকে হুমকি ধুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও জানান ভুক্তভোগী পরিবারের আত্বীয় স্বজন।
থানায় লিখিত অভিযোগ এবং ভুক্তভোগীর বক্তব্যে জানাযায়, ভুক্তভোগী ঐ নারীর স্বামী মোজাম্মেল হোসেন চাকুরির জন্য চট্রগ্রাম থাকেন, এ সুযোগে প্রতিবেশী যুবদল নেতা আব্দুর রহমান প্রায় সময় তাকে শারীরীক সম্পর্কের জন্য নানা কু প্রস্তাব দিতেন ঘটনার দিন সাড়ে ১২ টায় ভুক্তভোগী রান্নাঘরে কাজকর্ম করা অবস্থায় হঠাৎ করে রহমান তাকে জড়িয়ে ধরে শরীরের বিভিন্ন গোপনাঙ্গে স্পর্শ করে এবং তাকে ধর্ষনের চেষ্টা করে ভুক্তভোগী ঐ তাকে চিৎকার দিয়ে তাকে ধাক্কা মেরে পেলে দৌঁড় মারে এবং তার শোর চিৎকারে রহমান ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ঐ নারি তখন কান্নাকাটি করতে করতে পাশের প্রতিবেশী (ধনি বেগমকে বিষয়টি অবহিত করে) এবং তার ম্বামী মোজাম্মেলসহ আত্বীয় স্বজনকে জানায়। বিষয়টি স্থাণীয় মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের জানালে ১৪ ডিসেম্বর সকালে চর ওয়াপদা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আমিন এবং চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নের সেলিম মেম্বার, স্থানীয় হাশেম মিয়াসহ লোকজন শালিস বৈঠক বসে কিন্তু শালিসকারকা অপরাধীর কোন বিচার না করায় ন্যায় বিচারের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগীর বাবা চরকাজী মোখলেস গ্রামের দুলাল বলেন, আমি মোজাম্মেলের কাছে মেয়েকে বিয়ে দেই, কিছুদিন পর জামাই মেজাম্মেল চট্রগ্রামে চাকুরি নেয় সেসুবাধে আমার মেয়ে বাড়ীতে একাই থাকে প্রায় সময় আব্দুর রহমান বাড়ীতে এসে আমার মেয়েকে কু প্রস্তাব দিতো একাধিকবার আমাকে জানানো হলে আমি মান সম্মানের ভয়ে মুখ খুলিনি কিন্তু মঙ্গলবারে আমার মেয়ের সাথে যা হয়েছে তার উপযুক্ত বিচার চাই।
অভিযুক্ত আব্দুর রহমান বলেন, জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছে, এ ঘটনার সাথে আমি কোন ভাবেই জড়িত নয়। একটি কুচক্রি মহলের ইন্ধনে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।
চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জন(ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, এসআই মাহমুদুলকে দ্বায়ীত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোহাম্মদ সেলিম , ঢাকা অফিস : সিটিহার্ট, সুইট নং ১৫/২, ৬৭ নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০। ই-মেইল:: nkbarta24@gmail.com
Copyright © 2026 Nk Barta 24. All rights reserved.