Sharing is caring!

খেলাধূলা ডেস্কঃ

ক্যারিয়ারের শুরুতে ক্ষুরধার বোলিংয়ে বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানকে কাঁপিয়েছেন টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু ৫ বছরের ক্যারিয়ারে তার বলের ধার বাড়েনি; বরং কমেছে। নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন কাটার মাস্টার। রঙিন পোশাকে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্যে ফিরলেও টেস্টে উপেক্ষিত তিনি। তবে তিন ফরম্যাটেই নিয়মিত হতে চান মুম্তাফিজ।

২০১৫ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি দিয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট। একই সাখে নিজের বিষাক্ত কাটারে ২২ গজে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের অস্বস্তিতে ফেলেছেন। ২৪ বলে ১৬টি ডটই তার প্রমাণ।

এরপর বিশ্ব তারকাদের একজন হয়ে ওঠেন মুস্তাফিজ। ছিল নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পালা। এই পালা বদলের মঞ্চে বাইশ গজে বল হাতে নিজের জাত চিনিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন নামকরা সব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। তবে চোট আর অফ ফর্মে নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে শুরু করেন তিনি।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সফরের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার আগে সংবাদ সম্মেলনে মুস্তাফিজেকে নিয়ে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো জানিয়েছিলেন, আপাতত লাল বলের ক্রিকেটে মুস্তাফিজকে নিয়ে ভাবছে না দল। রঙিন পোশাকে পারফর্ম করলেও ২০১৯ সালের মার্চের পর টেস্ট ক্রিকেটে আর মােঠে নামা হয়নি মুস্তাফিজের।

আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফেরের জন্য বিবেচনায় আছেন মুস্তাফিজ। শেষ অবধি তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ মাঠে গড়ালে লাল বলের ক্রিকেটে প্র্রত্যাবর্তন হতে পারে মুস্তাফিজের। আপাতত সেদিকে দৃষ্টি রাখছেন তিনি। আজ (সোমবার) দলগত অনুশীলন শেষে মুস্তাফিজ বলেন, তিন ফরম্যাটেই নিয়মিত হতে চেষ্টার কমতি রাখছেন না।

মুস্তাফিজ জানান, ‘আমি তো চাই সব ফরম্যাটে খেলতে। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

‘করোনার আগে গিবসন (বোলিং কোচ) আমাকে কিছু গ্রিপ দেখিয়ে দিয়েছিলেন, যে কী করলে বল ভেতরে ঢুকবে। ওটা নিয়ে কাজ করছিলাম, এখন ভালো যাচ্ছে। আরো কাজ করতে হবে, ভালোভাবে কাজ করতে পারলে বল ভেতরে ঢোকানোটা জলদি আয়ত্ত্ব করতে পারবো।’- যোগ করেন দ্য ফিজ।

Sharing is caring!