Sharing is caring!

নিজেস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী:

 

 

নোয়াখালীতে করোনা সংক্রমণ না কমায় জেলা সদরের ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় চলমান লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন।

 

 

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

 

জেলা প্রশাসক ও করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

তিনি জানান, প্রথম ধাপে নোয়াখালী পৌরসভা ও সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ৭দিন লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তবে করোনার প্রকোপ না কমায় চলমান এ লকডাউন দ্বিতীয় দফায় আরও সাতদিন বর্ধিত করা হয়েছে। করোন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসা ৩য় ধাপে আবারও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে এ লকডাউন। আগামী ২৫ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত এ লকডাউন কার্যকর থাকবে। একই সঙ্গে আগের সব বিধিনিষেধ বহাল থাকবে।

 

তিনি আরও জানান, লকডাউনকে আরো কার্যকর করতে বন্ধ থাকবে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল।

 

এর আগে গত ৫ জুন এবং ১০ জুন জেলা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান সকাল ৬টা থেকে দুইধাপে রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪ দিন লকডাউন ঘোষণা করেন।

 

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নোয়াখালীতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সদর উপজেলা ও বেগমগঞ্জে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৯ জনে। মৃত্যুর হার ১দশমিক ২৯শতাংশ। এছাড়াও গত ২৪ঘন্টায় জেলায় নতুন করে আরও ১০১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৩৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় এ ফল পাওয়া যায়। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ৭০ শতাংশ।

 

এতে জেলায় মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দশ হাজার ১২ জন। মোট আক্রান্তের হার ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ জন সদর উপজেলার, বেগমগঞ্জের ১৫ জন, সোনাইমুড়ীর সাতজন, চাটখিলের ২ জন, সেনবাগ পাঁচজন, কোম্পানীগঞ্জের আটজন ও কবিরহাটের চারজন রয়েছেন। এছাড়াও সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ১৫৯ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭১ দশমিক ৫০ শতাংশ।

Sharing is caring!