সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে আসবে কিছু পরিবর্তন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল শারীরিক প্রতিবন্ধী চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই কবিরহাটে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে হামলা, নারীকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ নতুন ভিসা প্রত্যামীদের জন্য সুখবর দিলো ভারতীয় ভিসা নিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিতে পারবেনা পুনঃভর্তি ফি: শিক্ষা মন্ত্রণালয় রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা দিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আ.লীগ কার্যালয়ের তালা ভেঙে ব্যানার টাঙানো, পুলিশের অভিযানে আটক-৫ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ ৯, বিএনপি ৫ ও জামায়াত ১

ওটারহাটে দিনে দুপরে ব্যাবসায়ীর টাকা চুরির ঘটনায় চোরদের গ্রেফতার ও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০ ৬০৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ওটারহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নুরনবী ষ্টোর (মুদি দোকান) থেকে দিনে দুপুরে নগদ ৪লক্ষ ১১হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায় চোর।

এই ঘটনায় যারাই করেছে তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে টাকা গুলো উদ্ধার করে এলাকার মানুষের প্রিয় নবী মিয়াকে বাঁচানোর দাবিতে সড়কে মানববন্ধন করেন বাজারের ব্যাবসায়ীরা।

ম্যান ফোর ম্যান নামক সংগঠনের চেয়ারম্যান আবু ফাহাদের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে ওটারহাট বাজারের সকল ব্যাবসায়ীদের অংশ গ্রহনে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ম্যান ফোর ম্যান নামক সংগঠনের পরিচালক মহিবুল ইসলাম জহিরের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তাহের বাদল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সালেহ উদ্দিন রিপন, প্রবাসী আলাউদ্দিন, ওটারহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার সুমন, বাটইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন শাহীন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, নুরনবী মিয়া এমনই এক লোক যে এলাকার মানুষ তাকে ব্যাংক হিসেবে দেখেন এবং বিশ্বাস করেন। ফলে মানুষ ব্যাংকে টাকা না রেখে বিভিন্ন সময় তার কাছে টাকা জমা রাখেন। আর তিনিও এলাকাতে এতোই বিশ্বাসী যে, তিনি না খেয়ে থাকলেও কারো আমানতের টাকা থেকে একটি টাকাও খরচ করেনা এমনকি যে যেভাবে টাকা রেখে যায় ঠিক সেভাবেই তার টাকা বুঝে পান। যেমন টাকার বাণ্ডিল কিন্বা নোট। যারা টাকা রাখেন তারা দু-চার মাস পরে আসলেও যেমন রাখে ঠিক তেনই তাদের জমাকৃত টাকা বুঝে পাই। ব্যাবসায়ীরা আরো জানান, তিনি হাডের রোগী এবং নিম্ন শ্রেণির লোক হওয়াতে এই টাকা চুরি হওয়ার পর থেকে তার অবস্থা আশংকা জনক। অতিসত্তর চোরদেরকে গ্রেফতার করে টাকা উদ্ধার করা না গেলে তাকে বাঁচানো যাবেনা।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন শনিবার দুপুর ১টার দিকে দোকান বন্ধ করে পাশবর্তী সেলুন দোকানে সেভ করতে গেলে আগ থেকে উৎপেতে থাকা চোর তার দোকানের সিলিংয়ের উপর দিয়ে ভিতরে ডুকে তার ক্যাশ থেকে এলাকার মানুষের জমাকৃত নগদ ৪লক্ষ ১১হাজার টাকা নিয়ে যায়। এতে করে মানুষের আমনতী টাকা কি করে শোধ করবে এই চিন্তায় বর্তমানে তিনি মৃত্যু শয্যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

ওটারহাটে দিনে দুপরে ব্যাবসায়ীর টাকা চুরির ঘটনায় চোরদের গ্রেফতার ও

আপডেট সময় : ০৮:৪২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০

নোয়াখালী প্রতিনিধি::

নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ওটারহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী নুরনবী ষ্টোর (মুদি দোকান) থেকে দিনে দুপুরে নগদ ৪লক্ষ ১১হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায় চোর।

এই ঘটনায় যারাই করেছে তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে টাকা গুলো উদ্ধার করে এলাকার মানুষের প্রিয় নবী মিয়াকে বাঁচানোর দাবিতে সড়কে মানববন্ধন করেন বাজারের ব্যাবসায়ীরা।

ম্যান ফোর ম্যান নামক সংগঠনের চেয়ারম্যান আবু ফাহাদের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে ওটারহাট বাজারের সকল ব্যাবসায়ীদের অংশ গ্রহনে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ম্যান ফোর ম্যান নামক সংগঠনের পরিচালক মহিবুল ইসলাম জহিরের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তাহের বাদল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সালেহ উদ্দিন রিপন, প্রবাসী আলাউদ্দিন, ওটারহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার সুমন, বাটইয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন শাহীন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, নুরনবী মিয়া এমনই এক লোক যে এলাকার মানুষ তাকে ব্যাংক হিসেবে দেখেন এবং বিশ্বাস করেন। ফলে মানুষ ব্যাংকে টাকা না রেখে বিভিন্ন সময় তার কাছে টাকা জমা রাখেন। আর তিনিও এলাকাতে এতোই বিশ্বাসী যে, তিনি না খেয়ে থাকলেও কারো আমানতের টাকা থেকে একটি টাকাও খরচ করেনা এমনকি যে যেভাবে টাকা রেখে যায় ঠিক সেভাবেই তার টাকা বুঝে পান। যেমন টাকার বাণ্ডিল কিন্বা নোট। যারা টাকা রাখেন তারা দু-চার মাস পরে আসলেও যেমন রাখে ঠিক তেনই তাদের জমাকৃত টাকা বুঝে পাই। ব্যাবসায়ীরা আরো জানান, তিনি হাডের রোগী এবং নিম্ন শ্রেণির লোক হওয়াতে এই টাকা চুরি হওয়ার পর থেকে তার অবস্থা আশংকা জনক। অতিসত্তর চোরদেরকে গ্রেফতার করে টাকা উদ্ধার করা না গেলে তাকে বাঁচানো যাবেনা।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন শনিবার দুপুর ১টার দিকে দোকান বন্ধ করে পাশবর্তী সেলুন দোকানে সেভ করতে গেলে আগ থেকে উৎপেতে থাকা চোর তার দোকানের সিলিংয়ের উপর দিয়ে ভিতরে ডুকে তার ক্যাশ থেকে এলাকার মানুষের জমাকৃত নগদ ৪লক্ষ ১১হাজার টাকা নিয়ে যায়। এতে করে মানুষের আমনতী টাকা কি করে শোধ করবে এই চিন্তায় বর্তমানে তিনি মৃত্যু শয্যায়।