ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

তালাকের জেরে প্রবাসী স্ত্রীকে খুন, অতঃপর

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার দোহার থানার প্রবাসী মলি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে (৩৫) নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১|

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজার এলাকায় নিজাম হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়|

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মলি আক্তার ও গ্রেপ্তারকৃত ইসমাইল হোসেন সৌদি আরবে কর্মরত অবস্থায় পরিচয় হয়| প্রায় ৭ বছর আগে তারা বিয়ে করেন এবং তাদের ৫ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে| তবে দাম্পত্য জীবনে নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় এক বছর আগে মলি আক্তার তাকে তালাক দিয়ে কুয়েতে চলে যান| সম্প্রতি দেশে ফেরার পর ইসমাইল তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ভিকটিম তা এড়িয়ে চলেন| গত ১৪ মার্চ ভোরে একটি ফোনকল পেয়ে মলি আক্তার ঘর থেকে বের হন| কিছুক্ষণ পর তার বাড়ির পেছনে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন তার বাবা| পরে তাকে উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন| এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন| মামলার পর র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি করে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে|

র‌্যাব-১১ সিপিপি-৩ কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি নিজের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং মামলার প্রধান আসামি হিসেবে সংশ্লিষ্টতার কথা ¯^ীকার করে| গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে|

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

তালাকের জেরে প্রবাসী স্ত্রীকে খুন, অতঃপর

আপডেট সময় : ০৮:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার দোহার থানার প্রবাসী মলি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে (৩৫) নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১|

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার হারিছ চৌধুরীর বাজার এলাকায় নিজাম হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়|

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মলি আক্তার ও গ্রেপ্তারকৃত ইসমাইল হোসেন সৌদি আরবে কর্মরত অবস্থায় পরিচয় হয়| প্রায় ৭ বছর আগে তারা বিয়ে করেন এবং তাদের ৫ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে| তবে দাম্পত্য জীবনে নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় এক বছর আগে মলি আক্তার তাকে তালাক দিয়ে কুয়েতে চলে যান| সম্প্রতি দেশে ফেরার পর ইসমাইল তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ভিকটিম তা এড়িয়ে চলেন| গত ১৪ মার্চ ভোরে একটি ফোনকল পেয়ে মলি আক্তার ঘর থেকে বের হন| কিছুক্ষণ পর তার বাড়ির পেছনে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন তার বাবা| পরে তাকে উপজেলা ¯^াস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন| এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন| মামলার পর র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি করে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে|

র‌্যাব-১১ সিপিপি-৩ কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি নিজের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং মামলার প্রধান আসামি হিসেবে সংশ্লিষ্টতার কথা ¯^ীকার করে| গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে|