ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে তরুণকে পিটিয়ে হত্যা: সন্দেহভাজনদের বাড়িতে হামলা-অগ্নিসংযোগ হামের উপসর্গে নোয়াখালীতে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আইসোলেশনে ১০৮ জুয়ার আসর নিয়ে বিরোধ: ঝগড়া থামাতে গিয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু খানাখন্দে ভরা সড়ক, এগিয়ে এলেন ছাত্রদল নেতা নাছির নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে মিলল ২০ কেজি ওজনের কোরাল মাছ ফের পেছাল আলোচিত শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামি ফের অস্ত্র নিয়ে আটক নোয়াখালীতে প্রথম বারের মত হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু কবিরহাটে স’মিলে মিলল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ সম্পত্তি ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা: দুই বছর পর কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার-৩

যৌন হয়রানির অভিযোগে বাবার বিরুদ্ধে মামলা করল মা, শ্রীঘরে গেলো চাচা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০২২ ৬২৮৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

 

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় মেয়েকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বাবা ও চাচার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চাচাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তবে পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত বাবা।

 

গতকাল সন্ধ্যায় ওই মেয়ের মা বাদী হয়ে চাটখিল থানায় তার স্বামী মোস্তফা কামাল লিটন ও তার ছোট ভাই দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। লিটন ও দিদারুল উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।

 

পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার ২ নং আসামি দিদারুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করলে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভিকটিম ঘুম থেকে উঠে টয়লেটে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত মোস্তফা কামাল লিটন মেয়েকে জড়িয়ে ধরে স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয় এবং খারাপ কাজ করার চেষ্টা করে। অবশেষে বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয় মায়ের। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার সকাল ৮টার দিকে তার স্ত্রী ও ছেলে তাকে এ ধরনের কাজ করতে নিষেধ করে। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে মারধর করে। মামলার এজাহারে এভাবে বাবার বিরুদ্ধে নিজের মেয়েকে যৌন হয়রানির অভিযোগ করা হয়।

 

চাটখিল থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো: হুমায়ন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এঘটনায় ভিকটিমের বাবা ও চাচা দিদারুল আলমকে (৩৫) আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। পুলিশ মামলার দ্বিতীয় আসামি দিদারু আলমকে যৌন হয়রানির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে। আজ সকালে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

যৌন হয়রানির অভিযোগে বাবার বিরুদ্ধে মামলা করল মা, শ্রীঘরে গেলো চাচা

আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই ২০২২

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

 

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় মেয়েকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বাবা ও চাচার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত চাচাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তবে পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত বাবা।

 

গতকাল সন্ধ্যায় ওই মেয়ের মা বাদী হয়ে চাটখিল থানায় তার স্বামী মোস্তফা কামাল লিটন ও তার ছোট ভাই দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। লিটন ও দিদারুল উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।

 

পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার ২ নং আসামি দিদারুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করলে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভিকটিম ঘুম থেকে উঠে টয়লেটে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত মোস্তফা কামাল লিটন মেয়েকে জড়িয়ে ধরে স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয় এবং খারাপ কাজ করার চেষ্টা করে। অবশেষে বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয় মায়ের। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার সকাল ৮টার দিকে তার স্ত্রী ও ছেলে তাকে এ ধরনের কাজ করতে নিষেধ করে। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে মারধর করে। মামলার এজাহারে এভাবে বাবার বিরুদ্ধে নিজের মেয়েকে যৌন হয়রানির অভিযোগ করা হয়।

 

চাটখিল থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো: হুমায়ন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এঘটনায় ভিকটিমের বাবা ও চাচা দিদারুল আলমকে (৩৫) আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। পুলিশ মামলার দ্বিতীয় আসামি দিদারু আলমকে যৌন হয়রানির ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে। আজ সকালে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।