ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক, কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৮৪ নেতাকর্মী গ্রেফতার জনতার ধাওয়ায় বিদেশি পিস্তল ফেলে পালাল অস্ত্রধারী নষ্ট মিটারের শর্ট সার্কিটে পুড়ল কৃষকের বসতঘরসহ ৪ গরু, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ মাদকবিরোধী সমাবেশের জেরে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ প্রকাশ্যে যুবককে গুলির, সিসিটিভি ভিডিও ভাইরাল পুলিশের চেকেপোস্টে তিনটি বিদেশী পিস্তল-গুলিসহ কিশোর আটক চিরকুটে যুবকের নাম লিখে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা নোয়াখালীতে ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ-প্রতিবাদ আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার

জেলখানায় বন্দি ছেলেকে কয়েদির পোশাকে দেখেই মৃত্যু হলো বাবার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩ ৯৮৮৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এনকে বার্তা অনলাইন:

 

ফরিদপুর আদালতের রায়ে সাজা হওয়ায় ছেলে জেলখানায়। ছেলেকে দেখতে ইচ্ছে করায় পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন বাবা রাশেদ মাতুব্বর। কিন্তু জেলখানায় ছেলেকে কয়েদির পোশাকে দেখার পরেই সে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে তাত্ক্ষণিক মারা যান তিনি।

 

হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২২ মে) দুপুরে ফরিদপুর জেলার কেন্দ্রীয় কারাগারের বহির্বিভাগ দর্শনার্থী ঘরে। আজ মঙ্গলবার (২৩ মে) সকালে ফরিদপুর জেল সুপার মো. তায়েফ উদ্দিন মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্বজনরা জানান, রাশেদ মাতুব্বরের (৬৫) গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ কাউলিবেড়া গ্রামে। তার ছেলে লিটন মাতুব্বরের (২৭) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় সম্প্রতি আদালতের রায়ে ১৪ বছরের সাজা হয়। তিনি ফরিদপুরের জেলখানায় রয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে ছেলেকে দেখতে যান রাশেদ মাতুব্বর। সাক্ষাৎকালে ছেলেকে কয়েদির পোশাকে দেখে বেশ বিচলিত হয়ে পড়েন বাবা। কিছু সময়ের মধ্যে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। জেলখানার দর্শনার্থী কক্ষের সামনেই লুটিয়ে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

 

বিকেলে নিহতের মরদেহ তার নিজ গ্রাম কাউলিবেড়া আসার পর সেখানে এক অবতারণা হয় হৃদয় বিদারক দৃশ্যের ।

ফরিদপুর জেল সুপার মোঃ তায়েফ উদ্দিন মিয়া বলেন, একজন বাবা তার ছেলেকে জেলগেটে দেখতে আসেন। পরে তাকে তার ছেলেকে দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে শুনেছি তিনি হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হয়ে মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, বাবার মৃত্যুর পরে লাশ দেখতে ও জানাজায় অংশগ্রহণ করতে ছেলে লিটন আমাদের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছেন। বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

জেলখানায় বন্দি ছেলেকে কয়েদির পোশাকে দেখেই মৃত্যু হলো বাবার

আপডেট সময় : ০৩:২৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩

এনকে বার্তা অনলাইন:

 

ফরিদপুর আদালতের রায়ে সাজা হওয়ায় ছেলে জেলখানায়। ছেলেকে দেখতে ইচ্ছে করায় পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন বাবা রাশেদ মাতুব্বর। কিন্তু জেলখানায় ছেলেকে কয়েদির পোশাকে দেখার পরেই সে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে তাত্ক্ষণিক মারা যান তিনি।

 

হৃদয় বিদারক ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২২ মে) দুপুরে ফরিদপুর জেলার কেন্দ্রীয় কারাগারের বহির্বিভাগ দর্শনার্থী ঘরে। আজ মঙ্গলবার (২৩ মে) সকালে ফরিদপুর জেল সুপার মো. তায়েফ উদ্দিন মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্বজনরা জানান, রাশেদ মাতুব্বরের (৬৫) গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ কাউলিবেড়া গ্রামে। তার ছেলে লিটন মাতুব্বরের (২৭) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় সম্প্রতি আদালতের রায়ে ১৪ বছরের সাজা হয়। তিনি ফরিদপুরের জেলখানায় রয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে ছেলেকে দেখতে যান রাশেদ মাতুব্বর। সাক্ষাৎকালে ছেলেকে কয়েদির পোশাকে দেখে বেশ বিচলিত হয়ে পড়েন বাবা। কিছু সময়ের মধ্যে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। জেলখানার দর্শনার্থী কক্ষের সামনেই লুটিয়ে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

 

বিকেলে নিহতের মরদেহ তার নিজ গ্রাম কাউলিবেড়া আসার পর সেখানে এক অবতারণা হয় হৃদয় বিদারক দৃশ্যের ।

ফরিদপুর জেল সুপার মোঃ তায়েফ উদ্দিন মিয়া বলেন, একজন বাবা তার ছেলেকে জেলগেটে দেখতে আসেন। পরে তাকে তার ছেলেকে দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে শুনেছি তিনি হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হয়ে মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, বাবার মৃত্যুর পরে লাশ দেখতে ও জানাজায় অংশগ্রহণ করতে ছেলে লিটন আমাদের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছেন। বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।