ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

বিএনপির নেতাকর্মিদের গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ, ১৫ মামলায় আসামি ১১০০

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ২৬০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মিদের গায়েবি মামলায় গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ করেছে নোয়াখালী ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্টের আহ্বায়ক এডভোকেট আবদুর রহমান।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচী ঘোষণার পর থেকে নোয়াখালীর ৯টি উপজেলায় বিএনপিও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মিদের গণগ্রেপ্তার শুরু করা হয়েছে। এ ছাড়াও জামায়াতের ২২জন নেতকর্মিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৯টি উপজেলা থেকে বিএনপিও সহযোগী সংগঠনের ১১০জন নেতাকর্মিসহ সর্বমোট ১৫৩জনকে মিথ্যা এবং গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

 

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। গায়েবি মামলায় সিনিয়র আইনজীবীদেরকেও আসামি করা হচ্ছে। সরকার ২০১৮ সালে একটি একতরফা নির্বাচন করে। আবারো একটি একতরফা নির্বাচন করতে কোনো ওয়ারেন্ট, মামলা ছাড়া গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে। বিএনপির সাধারণ সমর্থক ব্যবসায়ীদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। পুলিশ যদি এ ধরনের গ্রেপ্তার বন্ধ না করে তাহলে পুলিশ প্রশাসনের সাথে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক আরো খারাপ হয়ে যাবে। তিনি এ ধরনের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জাকারিয়া। এ সময় নোয়াখালী ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্টের যুগ্ম-আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম, নোয়াখালী ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্টের স্বমনয়ক রবিউল হাসান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব নুরুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

 

জানা যায়, সরকারের পদত্যাগসহ এক দফা দাবিতে বিএনপির ডাকা টানা ৭২ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচির শুরুতেই মঙ্গলবার ভোরে নোয়াখালীতে ঝটিকা মিছিল করেছে বিএনপি। অবরোধে সবধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে সোমবার রাত থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি-জামায়াতের ৩০ নেতাকর্মিকে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে এই অবরোধকে বিএনপির ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দাবি করে তা প্রতিরোধে সকালে জেলা শহর মাইজদীতে বিক্ষোভ মিছিল-শান্তি সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ। নোয়াখালী থেকে দূরপাল্লার কোন পরিবহন ছেড়ে না গেলেও অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয় ঢিলেঢালাভাবে।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, কোথায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

বিএনপির নেতাকর্মিদের গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ, ১৫ মামলায় আসামি ১১০০

আপডেট সময় : ০৫:৩১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মিদের গায়েবি মামলায় গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ করেছে নোয়াখালী ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্টের আহ্বায়ক এডভোকেট আবদুর রহমান।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচী ঘোষণার পর থেকে নোয়াখালীর ৯টি উপজেলায় বিএনপিও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মিদের গণগ্রেপ্তার শুরু করা হয়েছে। এ ছাড়াও জামায়াতের ২২জন নেতকর্মিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৯টি উপজেলা থেকে বিএনপিও সহযোগী সংগঠনের ১১০জন নেতাকর্মিসহ সর্বমোট ১৫৩জনকে মিথ্যা এবং গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

 

তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। গায়েবি মামলায় সিনিয়র আইনজীবীদেরকেও আসামি করা হচ্ছে। সরকার ২০১৮ সালে একটি একতরফা নির্বাচন করে। আবারো একটি একতরফা নির্বাচন করতে কোনো ওয়ারেন্ট, মামলা ছাড়া গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে। বিএনপির সাধারণ সমর্থক ব্যবসায়ীদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। পুলিশ যদি এ ধরনের গ্রেপ্তার বন্ধ না করে তাহলে পুলিশ প্রশাসনের সাথে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক আরো খারাপ হয়ে যাবে। তিনি এ ধরনের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জাকারিয়া। এ সময় নোয়াখালী ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্টের যুগ্ম-আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম, নোয়াখালী ইউনাইটেড লইয়ার্স ফ্রন্টের স্বমনয়ক রবিউল হাসান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব নুরুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

 

জানা যায়, সরকারের পদত্যাগসহ এক দফা দাবিতে বিএনপির ডাকা টানা ৭২ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচির শুরুতেই মঙ্গলবার ভোরে নোয়াখালীতে ঝটিকা মিছিল করেছে বিএনপি। অবরোধে সবধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে সোমবার রাত থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি-জামায়াতের ৩০ নেতাকর্মিকে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে এই অবরোধকে বিএনপির ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দাবি করে তা প্রতিরোধে সকালে জেলা শহর মাইজদীতে বিক্ষোভ মিছিল-শান্তি সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ। নোয়াখালী থেকে দূরপাল্লার কোন পরিবহন ছেড়ে না গেলেও অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয় ঢিলেঢালাভাবে।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, কোথায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।