ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

মাটিবাহী ট্রাক্টর চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চেয়ারম্যানের দফারফার চেষ্টা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪ ২৩৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর কবিরহাটে বেপরোয়া গতির মাটিবাহী ট্রাক্টর চাপায় এক মাদরাসা ছাত্র নিহত হয়েছেন। রোববার (১০ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট টু মন্ডলিয়া সড়কের জনতা বাজার সংলগ্ন চর গুল্লাখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত আমির হোসেন (১৩) ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চর মন্ডলিয়া গ্রামের বিটারাগো বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় চর মন্ডলিয়া গ্রামের একটি মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে নিজ বাড়ি থেকে একই ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকায় বড় ভাইয়ের কাছে যায় আমির। সেখান থেকে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অবৈধ মাটিবাহী ট্রাক্টর তাকে পিছন থেকে চাপা দিলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরে এলাকাবাসী ট্রাক্টরটি আটক করে। কিন্ত ঘটনার পরপরই গাড়ির চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, ধানশিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন স্থানীয় বিষয়টি দফারফার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধানশালিক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান সাহাব উদ্দিন বলেন, নিহত ছেলের বাবা একজন দিনমজুর। তিনি থানায় মামলা করতে চাচ্ছেনা। আমার কাছে এসেছে বিষয়টি সমাধা করে দেওয়ার জন্য। আমি তাদেরকে নিয়ে বসেছি। আমি সমাধা করতে পারলেও তারা থানায় যাবে, না পারলেও থানায় যাবে।

 

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, বাদী মামলা করতে চাচ্ছেনা। আমি বলেছি বাদীকে আমার কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য। থানায় লিখিত দিয়ে যাবে। নিহতের পরিবার ময়না তদন্ত করতে চাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

মাটিবাহী ট্রাক্টর চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চেয়ারম্যানের দফারফার চেষ্টা

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মার্চ ২০২৪

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর কবিরহাটে বেপরোয়া গতির মাটিবাহী ট্রাক্টর চাপায় এক মাদরাসা ছাত্র নিহত হয়েছেন। রোববার (১০ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট টু মন্ডলিয়া সড়কের জনতা বাজার সংলগ্ন চর গুল্লাখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত আমির হোসেন (১৩) ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের চর মন্ডলিয়া গ্রামের বিটারাগো বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় চর মন্ডলিয়া গ্রামের একটি মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে নিজ বাড়ি থেকে একই ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকায় বড় ভাইয়ের কাছে যায় আমির। সেখান থেকে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অবৈধ মাটিবাহী ট্রাক্টর তাকে পিছন থেকে চাপা দিলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরে এলাকাবাসী ট্রাক্টরটি আটক করে। কিন্ত ঘটনার পরপরই গাড়ির চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, ধানশিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন স্থানীয় বিষয়টি দফারফার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধানশালিক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান সাহাব উদ্দিন বলেন, নিহত ছেলের বাবা একজন দিনমজুর। তিনি থানায় মামলা করতে চাচ্ছেনা। আমার কাছে এসেছে বিষয়টি সমাধা করে দেওয়ার জন্য। আমি তাদেরকে নিয়ে বসেছি। আমি সমাধা করতে পারলেও তারা থানায় যাবে, না পারলেও থানায় যাবে।

 

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, বাদী মামলা করতে চাচ্ছেনা। আমি বলেছি বাদীকে আমার কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য। থানায় লিখিত দিয়ে যাবে। নিহতের পরিবার ময়না তদন্ত করতে চাচ্ছে না।