সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে আসবে কিছু পরিবর্তন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল শারীরিক প্রতিবন্ধী চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই কবিরহাটে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে হামলা, নারীকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ নতুন ভিসা প্রত্যামীদের জন্য সুখবর দিলো ভারতীয় ভিসা নিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিতে পারবেনা পুনঃভর্তি ফি: শিক্ষা মন্ত্রণালয় রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা দিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আ.লীগ কার্যালয়ের তালা ভেঙে ব্যানার টাঙানো, পুলিশের অভিযানে আটক-৫ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ ৯, বিএনপি ৫ ও জামায়াত ১

কবিরহাটে শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণ চেষ্টাকারী জাকিরের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

কবিরহাট প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২৯০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর কবিরহাটে সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত যুবকের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

 

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলার কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের নতুন শাহাজিরহাট বাজারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকার অভিভাবক এবং সকল শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন।

 

শিক্ষার্থীরা বলেন, মাত্র সাত বছরের একজন শিশু শিক্ষার্থীকে কি করে এই নরপিশাচ ধর্ষণ করেছে, তারওতো বাচ্চা ও ছোট বোন রয়েছে, আমরা চাই আর কখনো এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনা না ঘটে, তাই এই ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।

 

কবিরহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু বলেন, আমরা সব সময় ধর্ষণ, ইভটিজিং মাদক সহ সকল অপরাধীর বিরুদ্ধে আছি এবং থাকবো, সে যেই দলের হোকনা কেনো, কারণ এই ধরনের লোকদের কোন দল নাই, এরা সব সময় অপরাধী।

 

ধর্ষক জাকির হোসেন উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষবাগ গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির আবুল খায়ের মন্টু সওদাগরের ছেলে।

 

উল্লেখ্য গত ৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে মাদরাসা ছুটি হলে শিশুটি পায়ে হেঁটে মাদরাসা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করে। কিছু দূর আসার পর একই এলাকার মন্টু সওদাগরের ছেলে জাকিরের সাথে শিশুটির দেখা হয়। তখন শিশুটিসহ আরো দুজন মাদরাসার শিক্ষার্থীকে জাকির তার মোটরসাইকেল যোগে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে উঠায়। মন্টু সওদাগরের দোকানের সামনে আসার পর দুইজন শিশুকে নামিয়ে দিলে তারা বাড়ি চলে যায়। তখন শিশুটিকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মন্টু সওদাগরের দোকানের পাশের পরিত্যক্ত একটি খালি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটি চিৎকার করলে জাকির এই কথা কাউকে বললে তাকে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে তার পরিহিত পায়জামা পরিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। পরে শিশুটি বাড়িতে এসে তার মাকে ঘটনাটি জানায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

কবিরহাটে শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণ চেষ্টাকারী জাকিরের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নোয়াখালীর কবিরহাটে সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত যুবকের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

 

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলার কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের নতুন শাহাজিরহাট বাজারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকার অভিভাবক এবং সকল শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন।

 

শিক্ষার্থীরা বলেন, মাত্র সাত বছরের একজন শিশু শিক্ষার্থীকে কি করে এই নরপিশাচ ধর্ষণ করেছে, তারওতো বাচ্চা ও ছোট বোন রয়েছে, আমরা চাই আর কখনো এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনা না ঘটে, তাই এই ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।

 

কবিরহাট পৌর বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু বলেন, আমরা সব সময় ধর্ষণ, ইভটিজিং মাদক সহ সকল অপরাধীর বিরুদ্ধে আছি এবং থাকবো, সে যেই দলের হোকনা কেনো, কারণ এই ধরনের লোকদের কোন দল নাই, এরা সব সময় অপরাধী।

 

ধর্ষক জাকির হোসেন উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষবাগ গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির আবুল খায়ের মন্টু সওদাগরের ছেলে।

 

উল্লেখ্য গত ৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে মাদরাসা ছুটি হলে শিশুটি পায়ে হেঁটে মাদরাসা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করে। কিছু দূর আসার পর একই এলাকার মন্টু সওদাগরের ছেলে জাকিরের সাথে শিশুটির দেখা হয়। তখন শিশুটিসহ আরো দুজন মাদরাসার শিক্ষার্থীকে জাকির তার মোটরসাইকেল যোগে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে উঠায়। মন্টু সওদাগরের দোকানের সামনে আসার পর দুইজন শিশুকে নামিয়ে দিলে তারা বাড়ি চলে যায়। তখন শিশুটিকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মন্টু সওদাগরের দোকানের পাশের পরিত্যক্ত একটি খালি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটি চিৎকার করলে জাকির এই কথা কাউকে বললে তাকে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে তার পরিহিত পায়জামা পরিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। পরে শিশুটি বাড়িতে এসে তার মাকে ঘটনাটি জানায়।