সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ২৫শ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল-পিকআপ সংঘর্ষে ২ তরুণের মৃত্যু নোয়াখালীর শ্রেষ্ঠ কলেজ প্রধান প্রফেসর মাহবুবুর রহমান ওসমানী নোয়াখালী-ঢাকা রুটে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় যাত্রা শুরু করলো ‘সারা এক্সপ্রেস’ নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ জমির বিরোধে বড় ভাইকে হত্যা, গ্রেফতার ছোট ভাই নোয়াখালীতে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় নারী’সহ আটক-৩ নোয়াখালীতে শীতার্ত ১০ সহস্রাধিক মানুষ পেল আম্বার গ্রুপের কম্বল আদালতের নির্দেশে ১৭ মাস পর তোলা হলো ইমতিয়াজের লাশ থানার পাশেই সুপার মার্কেট, ১২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে চোরের দল

সাইবার ঝুঁকিতে ১ কোটি ২০ লাখ শিশু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০ ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এনকে বার্তা ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের ১ কোটি ২০ লাখ শিশু-কিশোর ইন্টারনেট ব্যবহারের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। আজ শুক্রবার সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ গত ১৮ মার্চ থেকে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউনে ঘরবন্দি দেশের প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ শিশু-কিশোর (প্লে থেকে দশম শ্রেণি)। সরকার স্কুল-কলেজের নির্দেশনা অনলাইনভিত্তিক ক্লাস করায় ফলে ৪ থেকে ১৪ বছরের শিশু-কিশোররা এক প্রকার বাধ্য হয়েই ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

এখনও এই মাধ্যম শিশু-কিশোরদের জন্য ব্যবহার উপযোগী হয়নি। এই কারণে গত ৬ মে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) খুব কম বয়সের শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে সতর্ক করেছে। তারা বলেছে, বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি স্কুল-কলেজ বন্ধ। এরা লেখাপড়া, খেলাধুলা, ভিডিও গেমস দেখতে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এতে করে তারা সাইবার ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ও ডিভাইস স্বল্পতার কারণে যদি ৫০ শতাংশ ইন্টারনেটের বাইরেও থাকে তারপরেও প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ শিশুর ইন্টারনেটের অশুভ প্রভাব তাদের উপর পড়বে। সেই সঙ্গে অতিমাত্রায় ব্যবহারের ইন্টারনেট আসক্তির বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না বলেও আশঙ্কা তাদের।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নিরাপত্তার বিষয়টি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে আমাদের জানা নেই এবং এ নিয়ে কোন নীতিমালাও তৈরি হয়নি। ইতিমধ্যে আইটিইউ কিছু সুপারিশমালা তৈরী করতে যাচ্ছে। আমরা সকলেই জানি ইন্টারনেটের যে বিষয়ে আমরা জানতে চাই তার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলিও চলে আসবে। এই বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকার জন্য আমরা অনুরোধ করছি এবং সরকারকে দ্রুত ইন্টারনেটের নিরাপত্তার বিষয়টি জোরালো ভাবে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

সাইবার ঝুঁকিতে ১ কোটি ২০ লাখ শিশু

আপডেট সময় : ০৭:০৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

এনকে বার্তা ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের ১ কোটি ২০ লাখ শিশু-কিশোর ইন্টারনেট ব্যবহারের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। আজ শুক্রবার সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ গত ১৮ মার্চ থেকে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউনে ঘরবন্দি দেশের প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ শিশু-কিশোর (প্লে থেকে দশম শ্রেণি)। সরকার স্কুল-কলেজের নির্দেশনা অনলাইনভিত্তিক ক্লাস করায় ফলে ৪ থেকে ১৪ বছরের শিশু-কিশোররা এক প্রকার বাধ্য হয়েই ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

এখনও এই মাধ্যম শিশু-কিশোরদের জন্য ব্যবহার উপযোগী হয়নি। এই কারণে গত ৬ মে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) খুব কম বয়সের শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে সতর্ক করেছে। তারা বলেছে, বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি স্কুল-কলেজ বন্ধ। এরা লেখাপড়া, খেলাধুলা, ভিডিও গেমস দেখতে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এতে করে তারা সাইবার ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ও ডিভাইস স্বল্পতার কারণে যদি ৫০ শতাংশ ইন্টারনেটের বাইরেও থাকে তারপরেও প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ শিশুর ইন্টারনেটের অশুভ প্রভাব তাদের উপর পড়বে। সেই সঙ্গে অতিমাত্রায় ব্যবহারের ইন্টারনেট আসক্তির বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না বলেও আশঙ্কা তাদের।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নিরাপত্তার বিষয়টি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে আমাদের জানা নেই এবং এ নিয়ে কোন নীতিমালাও তৈরি হয়নি। ইতিমধ্যে আইটিইউ কিছু সুপারিশমালা তৈরী করতে যাচ্ছে। আমরা সকলেই জানি ইন্টারনেটের যে বিষয়ে আমরা জানতে চাই তার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলিও চলে আসবে। এই বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকার জন্য আমরা অনুরোধ করছি এবং সরকারকে দ্রুত ইন্টারনেটের নিরাপত্তার বিষয়টি জোরালো ভাবে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।