ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নারিকেলডাব পাড়ার প্রলোভনে ডেকে নিয়ে শিশুকে বলৎকার একরাতে কোম্পানীগঞ্জের তিন বাড়িতে ডাকাতি মাদক ব্যবসায়ীর রাজকীয় আস্তানা: কুঁড়েঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার নোয়াখালীতে দুর্বৃত্তের আগুনে জ্বলল জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ মাদকের বিবাদে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, নোয়াখালীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ পাঁচ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল, একই আদেশে আরও আট কর্মকর্তাকে পদায়ন বখাটের এআই ভিডিওর অপপ্রচারে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর, আসামির ফাঁসির দাবি মাদকের বিরোধে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ১ ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ ১১ মামলার আসামি বুলেট ফারুক গ্রেফতার

ফেসবুকে শোক দিবসের ছবি দিয়ে পদ হারালেন বিএনপি নেতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩ ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাতিয়া প্রতিনিধি:

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শোক দিবসের ছবি পোস্ট করায় নোয়াখালীর হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি কাজী আব্দুর রহিমকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সাথে প্রফেসর আবু শাহাদাত মো. মোকাররম বিল্লাহকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়।

 

বুধবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান। এর আগে, গত সোমবার ২৮ আগস্ট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান বলেন, একটি বিষয়ের আলোকে হাতিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী আবদুর রহিমকে গত ১৭ আগস্ট কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। তবে ওই নোটিশের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় তাকে সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

অব্যাহতি পত্রে বলা হয়েছে, দলীয় শৃংখলা পরিপন্থি কাজে লিপ্ত থাকায় কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি যে লিখিত জবাব দিয়েছেন তা সন্তোষজনক নয়। এজন্য তাকে পৌর বিএনপির সভাপতিসহ সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাজী আবদুর রহিম হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি এবং হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। গত ১৫ আগষ্ট মাদরাসার আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে যান তিনি। এরপর সেই ছবি নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেন। পরে দলীয় নেতাকর্মিদের সমালোচনার মুখে তিনি পোস্ট সরিয়ে নেন। এরপর স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মিরা সেই পোস্টের স্কিনশর্ট নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নেতাদের কাছে দাবি জানান।

 

জানতে চাইলে কাজী আবদুর রহিম বলেন, তার কার্যক্রম পছন্দ না হওয়ায় তাকে পদ থেকে অব্যাহিত দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

ফেসবুকে শোক দিবসের ছবি দিয়ে পদ হারালেন বিএনপি নেতা

আপডেট সময় : ০৭:১৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

হাতিয়া প্রতিনিধি:

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শোক দিবসের ছবি পোস্ট করায় নোয়াখালীর হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি কাজী আব্দুর রহিমকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সাথে প্রফেসর আবু শাহাদাত মো. মোকাররম বিল্লাহকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়।

 

বুধবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান। এর আগে, গত সোমবার ২৮ আগস্ট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান বলেন, একটি বিষয়ের আলোকে হাতিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী আবদুর রহিমকে গত ১৭ আগস্ট কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। তবে ওই নোটিশের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় তাকে সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

অব্যাহতি পত্রে বলা হয়েছে, দলীয় শৃংখলা পরিপন্থি কাজে লিপ্ত থাকায় কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি যে লিখিত জবাব দিয়েছেন তা সন্তোষজনক নয়। এজন্য তাকে পৌর বিএনপির সভাপতিসহ সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাজী আবদুর রহিম হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি এবং হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। গত ১৫ আগষ্ট মাদরাসার আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে যান তিনি। এরপর সেই ছবি নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেন। পরে দলীয় নেতাকর্মিদের সমালোচনার মুখে তিনি পোস্ট সরিয়ে নেন। এরপর স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মিরা সেই পোস্টের স্কিনশর্ট নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নেতাদের কাছে দাবি জানান।

 

জানতে চাইলে কাজী আবদুর রহিম বলেন, তার কার্যক্রম পছন্দ না হওয়ায় তাকে পদ থেকে অব্যাহিত দেওয়া হয়েছে।