ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
উসকানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি রাষ্ট্রের আদর্শ পরিবর্তন জরুরি: ইমাম সেলিম নোয়াখালীতে ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে মতবিনিময় সভা প্রাইেভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবা হাতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী গভীর রাতে চাচীর ঘরে ভাতিজা, পুরুষাঙ্গ কেটে উধাও চাচী নোয়াখালীতে র‌্যাবের অভিযান: ২ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ, দুই বিরিয়ানি হাউজকে জরিমানা মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ থানার সামনে সড়ক দূর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু

পিতার পরিকল্পনায় ছেলেকে পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার পিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০ ৬৬৬৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মঈন উদ্দিন সাদ্দামকে (২৭) প্রকাশ্যে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মূল পরিকল্পনাকারী নিহতের পিতা মোস্তফা চৌধুরী (৫৫) কে গ্রেফতার করেছে সিআইডি পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মোস্তফা চৌধুরী, উপজেলার কাশিপুর মধ্য পাড়ার মৃত হাজী রঙ্গু মিয়ার ছেলে এবং নিহত সাদ্দামের পিতা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোর ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) নোয়াখালী জেলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ সিআইডির একটি টিম সোনাইমুড়ী ছাতারপাইয়া এলাকা থেকে পলাতক মোস্তফা চৌধুরকে আটক করে। এর আগে সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কাছে মামলাটির দায়িত্ব থাকলেও তারা আসামিকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়।

সিআইডি নোয়াখালী জেলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পুঃপরিঃ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার ঘটনা সংক্রান্তে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদসহ অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার কাশিপুর মধ্যপাড়া গ্রামে সাদ্দামকে তার নিজ বাড়ির উঠানে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়, তার নিজের পিতা মোস্তফা চৌধূরীর নির্দেশে বড় বোন কুলসুম আক্তার ধনি ও মা রায়হানা বেগম। এসময় তার আত্মচিৎকার শুনে এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করে। তার শরীরের ৮০ ভাগ পুড়ে যাওয়ায় ২০ দিন সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্চা লড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় (১৩ নভেম্বও ২০১৮) ঢাকার একটি হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মৃত্যুবরণ করে। এঘটনায় পরদিন তার স্ত্রী আসমা আক্তার বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় ৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

পিতার পরিকল্পনায় ছেলেকে পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার পিতা

আপডেট সময় : ০৯:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২০

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মঈন উদ্দিন সাদ্দামকে (২৭) প্রকাশ্যে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মূল পরিকল্পনাকারী নিহতের পিতা মোস্তফা চৌধুরী (৫৫) কে গ্রেফতার করেছে সিআইডি পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মোস্তফা চৌধুরী, উপজেলার কাশিপুর মধ্য পাড়ার মৃত হাজী রঙ্গু মিয়ার ছেলে এবং নিহত সাদ্দামের পিতা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোর ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) নোয়াখালী জেলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ সিআইডির একটি টিম সোনাইমুড়ী ছাতারপাইয়া এলাকা থেকে পলাতক মোস্তফা চৌধুরকে আটক করে। এর আগে সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর কাছে মামলাটির দায়িত্ব থাকলেও তারা আসামিকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়।

সিআইডি নোয়াখালী জেলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পুঃপরিঃ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার ঘটনা সংক্রান্তে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদসহ অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার কাশিপুর মধ্যপাড়া গ্রামে সাদ্দামকে তার নিজ বাড়ির উঠানে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়, তার নিজের পিতা মোস্তফা চৌধূরীর নির্দেশে বড় বোন কুলসুম আক্তার ধনি ও মা রায়হানা বেগম। এসময় তার আত্মচিৎকার শুনে এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করে। তার শরীরের ৮০ ভাগ পুড়ে যাওয়ায় ২০ দিন সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্চা লড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় (১৩ নভেম্বও ২০১৮) ঢাকার একটি হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মৃত্যুবরণ করে। এঘটনায় পরদিন তার স্ত্রী আসমা আক্তার বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় ৩ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।