ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
উসকানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি রাষ্ট্রের আদর্শ পরিবর্তন জরুরি: ইমাম সেলিম নোয়াখালীতে ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে মতবিনিময় সভা প্রাইেভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবা হাতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী গভীর রাতে চাচীর ঘরে ভাতিজা, পুরুষাঙ্গ কেটে উধাও চাচী নোয়াখালীতে র‌্যাবের অভিযান: ২ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ, দুই বিরিয়ানি হাউজকে জরিমানা মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ থানার সামনে সড়ক দূর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু

উসকানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীতে একটি চিহ্নিত উগ্রগোষ্ঠী কর্তৃক হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, উসকানি এবং বাড়িতে হামলার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে আগামী ১ আগস্ট হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত একটি সমাবেশকে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা জানিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই ২০২৬) হেযবুত তওহীদের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হেযবুত তওহীদ একটি অরাজনৈতিক সংস্কারমূলক আন্দোলন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগঠনটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ উপায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনভঙ্গের রেকর্ড নেই। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা ইসলামের প্রকৃত আদর্শের আলোকে উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে মাঠপর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক একটি চিহ্নিত উগ্রগোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা মিথ্যা তথ্যসংবলিত হ্যান্ডবিল প্রস্তুত ও প্রচার করছে এবং গুজব সৃষ্টি করে তাদের বাড়িঘরে হামলার পাঁয়তারা করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে ‘জমইয়্যাতুল মাদ্যারিসিল কওমিয়্যাহ’ এবং ‘ইসলামবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধ কমিটি’র যৌথ ব্যানারে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে সরাসরি উসকানি ও হুমকি দিয়ে একটি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ আগস্ট এই সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হবে।

হেযবুত তওহীদ মনে করে, এই সমাবেশ থেকে তাদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হামলা পরিচালনার জন্য উসকানি ও অপপ্রচার চালানোর নীলনকশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ওই উগ্রগোষ্ঠী মিথ্যা তথ্যসংবলিত হ্যান্ডবিল বিভিন্ন মসজিদে ও হাটে-বাজারে মুসল্লিদের মধ্যে প্রচার করেছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের উগ্র অনুসারীরা বিভিন্ন স্থানে হামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি জনসমাগমপূর্ণ স্থানে এবং ফুটওভার ব্রিজে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে মিথ্যা তথ্য, উসকানিমূলক প্রচারপত্র এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতার আহ্বানের বিষয়গুলো তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। তারা আশঙ্কা করছেন, এ ধরনের সমাবেশের মাধ্যমে নোয়াখালীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এর আগে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার চাষীরহাট ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামে অবস্থিত হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের বাড়িতে চারবার হামলা ও বড় ধরনের নাশকতা চালানো হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৯ এবং ২০১৬ সালে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ইন্ধনে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে হেযবুত তওহীদের দুজন সদস্যকে প্রকাশ্য দিবালোকে জবাই করে হত্যা করেছিল। সে সময় তাদের মসজিদকে ‘গির্জা’ বলে গুজব রটিয়ে ধ্বংস করা হয় এবং শতাধিক সদস্যকে রক্তাক্ত ও আহত করা হয়। এ ছাড়া গবাদিপশু, ঘেরের মাছ, গোলার ধান লুট করে বাড়িঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবারও একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটানোর জন্য তারা মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছে।

চাষীরহাটে বসবাসরত হেযবুত তওহীদের শত শত পরিবার এবং হাজার হাজার নারী, শিশু ও বৃদ্ধের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া সেখানে হেযবুত তওহীদের অর্ধশতাধিক উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে এবং বেকারত্ব দূরীকরণে ভূমিকা রাখছে। কোনো হামলা হলে এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে এবং কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমের মাধ্যমে হেযবুত তওহীদ এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীর বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে এবং নিজেদের জানমাল ও ব্যবসাবাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য উসকানিদাতা ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংগঠনকেই সব নৈতিক ও আইনি দায় বহন করতে হবে বলে বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

উসকানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি

আপডেট সময় : ০৯:৫১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নোয়াখালীতে একটি চিহ্নিত উগ্রগোষ্ঠী কর্তৃক হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, উসকানি এবং বাড়িতে হামলার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে আগামী ১ আগস্ট হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত একটি সমাবেশকে কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কা জানিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। রবিবার (২৬ জুলাই ২০২৬) হেযবুত তওহীদের সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হেযবুত তওহীদ একটি অরাজনৈতিক সংস্কারমূলক আন্দোলন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগঠনটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ উপায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনভঙ্গের রেকর্ড নেই। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তারা ইসলামের প্রকৃত আদর্শের আলোকে উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে মাঠপর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক একটি চিহ্নিত উগ্রগোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা মিথ্যা তথ্যসংবলিত হ্যান্ডবিল প্রস্তুত ও প্রচার করছে এবং গুজব সৃষ্টি করে তাদের বাড়িঘরে হামলার পাঁয়তারা করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে হেফাজতে ইসলামের তত্ত্বাবধানে ‘জমইয়্যাতুল মাদ্যারিসিল কওমিয়্যাহ’ এবং ‘ইসলামবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধ কমিটি’র যৌথ ব্যানারে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে সরাসরি উসকানি ও হুমকি দিয়ে একটি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ আগস্ট এই সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হবে।

হেযবুত তওহীদ মনে করে, এই সমাবেশ থেকে তাদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হামলা পরিচালনার জন্য উসকানি ও অপপ্রচার চালানোর নীলনকশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ওই উগ্রগোষ্ঠী মিথ্যা তথ্যসংবলিত হ্যান্ডবিল বিভিন্ন মসজিদে ও হাটে-বাজারে মুসল্লিদের মধ্যে প্রচার করেছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের উগ্র অনুসারীরা বিভিন্ন স্থানে হামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এমনকি জনসমাগমপূর্ণ স্থানে এবং ফুটওভার ব্রিজে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে মিথ্যা তথ্য, উসকানিমূলক প্রচারপত্র এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতার আহ্বানের বিষয়গুলো তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। তারা আশঙ্কা করছেন, এ ধরনের সমাবেশের মাধ্যমে নোয়াখালীর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এর আগে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার চাষীরহাট ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামে অবস্থিত হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের বাড়িতে চারবার হামলা ও বড় ধরনের নাশকতা চালানো হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৯ এবং ২০১৬ সালে উগ্রবাদী গোষ্ঠীর ইন্ধনে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে হেযবুত তওহীদের দুজন সদস্যকে প্রকাশ্য দিবালোকে জবাই করে হত্যা করেছিল। সে সময় তাদের মসজিদকে ‘গির্জা’ বলে গুজব রটিয়ে ধ্বংস করা হয় এবং শতাধিক সদস্যকে রক্তাক্ত ও আহত করা হয়। এ ছাড়া গবাদিপশু, ঘেরের মাছ, গোলার ধান লুট করে বাড়িঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবারও একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটানোর জন্য তারা মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে এগোচ্ছে।

চাষীরহাটে বসবাসরত হেযবুত তওহীদের শত শত পরিবার এবং হাজার হাজার নারী, শিশু ও বৃদ্ধের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া সেখানে হেযবুত তওহীদের অর্ধশতাধিক উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে এবং বেকারত্ব দূরীকরণে ভূমিকা রাখছে। কোনো হামলা হলে এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলো মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে এবং কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গণমাধ্যমের মাধ্যমে হেযবুত তওহীদ এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীর বেআইনি কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে এবং নিজেদের জানমাল ও ব্যবসাবাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য উসকানিদাতা ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সংগঠনকেই সব নৈতিক ও আইনি দায় বহন করতে হবে বলে বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।