ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
বিগত ১৭ বছরে যা হয়েছে আগামী দিনে তা হবে না, সরকারী কাজে কোনো চুরি হবে না-বরকত উল্লাহ বুলু শত্রুতার জেরে ধ্বংস করা হয়েছে ২৪ একর জমির তরমুজ মাদরাসা থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষার্থীকে বলৎকারের চেষ্টা, অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে বসতঘরের পানির ট্যাংকে ডিজেল, অভিযানে জব্দ ৭৫০ লিটার মোটরসাইকেলের তেল আনতে গিয়ে বাড়ি ফেরা হলোনা তরুণের মা-বোনের সমভ্রমহানির সাথে যারা বেঈমানী করেন, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু নোয়াখালীতে ডিএনসির অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার-৫ হাতিয়ায় ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ গ্রেফতার-২ সুগন্ধা পরিবহনের চলন্ত বাস থেকে পড়ে হেলপারের মৃত্যু

পল্লী চিকিৎসকের অতিরিক্ত ইনজেকশনে শিশুর মৃত্যু, টাকার বিনিময়ে শেষ

হাতিয়া প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য রোগীর স্বজনদের দেড় লাখ টাকা দিয়ে চুক্তিপত্র করে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক।

আরো পড়ুন: জলবায়ু ন্যায়বিচার দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন

বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের টাংকি রাস্তার মাথার নিরাপদ মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশুর নাম আবু সায়েদ (৪)। সে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের থানারহাট এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে।

আরো পড়ুন: অনিয়মের কারনে যোগ্য হয়েও পদন্নোতিতে বঞ্চিত

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার বিকেলে ডান পায়ে টিউমার দেখাতে শিশু আবু সায়েদকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের টাংকি রাস্তার মাথার নিরাপদ মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যায় স্বজনরা। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আবু সায়েদের পায়ের টিউমার অপারেশন করতে শরীরে ২০টি ইনজেকশন পুশ করে পল্লী চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন হাবিব। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা দেয়। পরে সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া পথে তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে নিহতে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে পুনরায় তাদের মেডিকেল সেন্টারে গেলে দেড় লাখ টাকায় বিষয়টি মিটমাট করা হয়। একই সাথে উপস্থিত লোকজনের সামনে লিখিত চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে ১১ বছরের শিশুর আত্মহত্যা

স্থানীয়দের অভিযোগ, ফার্মেসি দোকানের সাথে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সেখানে ডায়াগনস্ট্রিক সেন্ট্রার পরিচালনা করে আসছে হাবিবসহ একটি চক্র। এতে গ্রামের অসহায় মানুষ গুলো তাদের হয়রানির শিকার হচ্ছে।

আরো পড়ুন: হবিগঞ্জে সেনা কর্মকর্তাকে অসম্মান, বিতর্কে হাইওয়ে পুলিশের এসপি রেজাউল

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন হাবিবের মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একপর্যায়ে তিনি মুঠোফোন বন্ধ করে দেন।

আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে স্থানীয় পরিবেশক ও খামারিদের ক্ষমতায়নে “আফতাব রিজিওনাল মিট” কর্মসূচি

নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডাক্তার মরিয়ম সিমি বলেন, মৃত শিশুটির পরিবার এখনো এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

পল্লী চিকিৎসকের অতিরিক্ত ইনজেকশনে শিশুর মৃত্যু, টাকার বিনিময়ে শেষ

আপডেট সময় : ১১:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য রোগীর স্বজনদের দেড় লাখ টাকা দিয়ে চুক্তিপত্র করে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক।

আরো পড়ুন: জলবায়ু ন্যায়বিচার দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন

বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের টাংকি রাস্তার মাথার নিরাপদ মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশুর নাম আবু সায়েদ (৪)। সে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের থানারহাট এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে।

আরো পড়ুন: অনিয়মের কারনে যোগ্য হয়েও পদন্নোতিতে বঞ্চিত

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার বিকেলে ডান পায়ে টিউমার দেখাতে শিশু আবু সায়েদকে উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের টাংকি রাস্তার মাথার নিরাপদ মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যায় স্বজনরা। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আবু সায়েদের পায়ের টিউমার অপারেশন করতে শরীরে ২০টি ইনজেকশন পুশ করে পল্লী চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন হাবিব। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা দেয়। পরে সন্ধ্যার দিকে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া পথে তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে নিহতে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে পুনরায় তাদের মেডিকেল সেন্টারে গেলে দেড় লাখ টাকায় বিষয়টি মিটমাট করা হয়। একই সাথে উপস্থিত লোকজনের সামনে লিখিত চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে ১১ বছরের শিশুর আত্মহত্যা

স্থানীয়দের অভিযোগ, ফার্মেসি দোকানের সাথে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সেখানে ডায়াগনস্ট্রিক সেন্ট্রার পরিচালনা করে আসছে হাবিবসহ একটি চক্র। এতে গ্রামের অসহায় মানুষ গুলো তাদের হয়রানির শিকার হচ্ছে।

আরো পড়ুন: হবিগঞ্জে সেনা কর্মকর্তাকে অসম্মান, বিতর্কে হাইওয়ে পুলিশের এসপি রেজাউল

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন হাবিবের মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একপর্যায়ে তিনি মুঠোফোন বন্ধ করে দেন।

আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে স্থানীয় পরিবেশক ও খামারিদের ক্ষমতায়নে “আফতাব রিজিওনাল মিট” কর্মসূচি

নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডাক্তার মরিয়ম সিমি বলেন, মৃত শিশুটির পরিবার এখনো এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।