ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

মির্জার নেতৃত্বে কোম্পানীগঞ্জে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, আহত-৬

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মার্চ ২০২১ ৪৬৬৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট বাজারের আজমিরী হোটেল নামে একটি রেস্টুরেন্টে মেয়র মির্জার নেতৃত্বে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এসময় আবদুল কাদের মির্জা নিজে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক জসিম উদ্দিনকে বেদম মারধর করে। এছাড়াও মির্জার লোকজনের হামলায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছে।

শনিবার রাত ৮টা ৪৫মিনিটের দিকে আজমিরী হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে জসিম উদ্দিনকে কোম্পানীগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতরা কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

জসিম উদ্দিন জানান, সন্ধ্যার দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা রাহাত’সহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের কয়েকজন অনুসারী তার হোটেলে নাস্তা করতে আসে। খবর পেয়ে পৌনে ৯টার দিকে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে শতাধিক লোক তার হোটেলে হামলা চালায়। এ সময় তারা একটি স্কেভেটর মেশিন দিয়ে হোটেলের বাহিরের সাইন বোর্ডসহ কিছু অংশ ভেঙে দেয়। পরে মির্জা কাদের নিজে হোটেলের ভিতরে ডুকে তাকেসহ কর্মচারীদের এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ সময় মেয়রের লোকজন দোকানে লুট চালায় বলেও অভিযোগ করেন এ ব্যবসায়ী।

অভিযোগ অস্বীকার করে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, হোটেলের মালিক অবৈধভাবে দোকানের বাহিরে একটি অংশ নির্মাণ করেছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে প্রতিনিয়ত ভিগ্ন ঘটছে। কয়েকদিন আগে তাকে নিষেধ করা শর্তেও সে অতিরিক্ত অংশ না ভাঙায় পৌর কর্তৃপক্ষ তা ভেঙে দিয়েছে এবং তার ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, মেয়রসহ তার লোকজন হোটেল ভাঙচুর করেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। হোটেল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

মির্জার নেতৃত্বে কোম্পানীগঞ্জে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, আহত-৬

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মার্চ ২০২১

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট বাজারের আজমিরী হোটেল নামে একটি রেস্টুরেন্টে মেয়র মির্জার নেতৃত্বে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এসময় আবদুল কাদের মির্জা নিজে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক জসিম উদ্দিনকে বেদম মারধর করে। এছাড়াও মির্জার লোকজনের হামলায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছে।

শনিবার রাত ৮টা ৪৫মিনিটের দিকে আজমিরী হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে জসিম উদ্দিনকে কোম্পানীগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতরা কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

জসিম উদ্দিন জানান, সন্ধ্যার দিকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা রাহাত’সহ সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের কয়েকজন অনুসারী তার হোটেলে নাস্তা করতে আসে। খবর পেয়ে পৌনে ৯টার দিকে মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে শতাধিক লোক তার হোটেলে হামলা চালায়। এ সময় তারা একটি স্কেভেটর মেশিন দিয়ে হোটেলের বাহিরের সাইন বোর্ডসহ কিছু অংশ ভেঙে দেয়। পরে মির্জা কাদের নিজে হোটেলের ভিতরে ডুকে তাকেসহ কর্মচারীদের এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ সময় মেয়রের লোকজন দোকানে লুট চালায় বলেও অভিযোগ করেন এ ব্যবসায়ী।

অভিযোগ অস্বীকার করে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, হোটেলের মালিক অবৈধভাবে দোকানের বাহিরে একটি অংশ নির্মাণ করেছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে প্রতিনিয়ত ভিগ্ন ঘটছে। কয়েকদিন আগে তাকে নিষেধ করা শর্তেও সে অতিরিক্ত অংশ না ভাঙায় পৌর কর্তৃপক্ষ তা ভেঙে দিয়েছে এবং তার ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, মেয়রসহ তার লোকজন হোটেল ভাঙচুর করেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। হোটেল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।