ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
চাটখিলে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে হস্তান্তর প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণচেষ্টা, থানায় বাদীকে হেনস্থা, গ্রেপ্তার ২ নোয়াখালীতে যাত্রী ছাউনিতে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব নোয়াখালীতে মোটরের বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু একই পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস লন্ডনে, এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ নারিকেলডাব পাড়ার প্রলোভনে ডেকে নিয়ে শিশুকে বলৎকার একরাতে কোম্পানীগঞ্জের তিন বাড়িতে ডাকাতি মাদক ব্যবসায়ীর রাজকীয় আস্তানা: কুঁড়েঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার নোয়াখালীতে দুর্বৃত্তের আগুনে জ্বলল জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা: দ্রুত বিচার কার্যক্ররে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চায় পরিবার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৫৯০৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চর ফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশির হাটে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তার পরিবার।

 

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) মুজাক্কির হত্যার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় তার পরিবার।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে মুজাক্কিরের বড় ভাই ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ নুরুদ্দিন মুহাদ্দিস বলেন, ছোট ভাই হারানোর বেদনা প্রধানমন্ত্রীও অনুভব করেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটে শেখ রাসেলসহ পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কোম্পানীগঞ্জের চাপরাশিরহাটে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলির ছবি তুলতে গিয়ে গুলিবৃদ্ধ হন সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির। পরদিন (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

 

পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত নামাদের বিরুদ্ধে মামলা করি। সেদিনই নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) মামলা হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও এ মামলার কোনো অগ্রগতিই হয়নি। দেওয়া হয়নি মামলার চার্জশিটও। মামলার ভবিষ্যত কি তাও আমরা জানি না।

এসময় মুজাক্কিরের ভগ্নিপতি মাওলানা আবদুছ ছাত্তার বলেন, এক বছরেও আলোচিত এ মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় নোয়াখালীর প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের ব্যর্থতা। জেলা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগও এ দায় এড়াতে পারে না।

 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুজাক্কিরের বাবা মাওলানা নুরুল হুদা মো. নোয়াব আলী, মা মমতাজ বেগম, মেঝভাই মো. ফখরুদ্দিন, ভগ্নিপতি মাওলানা আবু সাঈদ, মাওলানা আবদুছ ছাত্তার, বড়বোন জান্নাতুল ফেরদাউস, নুরনাহার, গুলশান আরা, গুলনাহার প্রমুখ ।

 

জানতে চাইলে মুজাক্কির হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের পরিদর্শক মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামলায় এ পর্যন্ত ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা: দ্রুত বিচার কার্যক্ররে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চায় পরিবার

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চর ফকিরা ইউনিয়নের চাপরাশির হাটে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তার পরিবার।

 

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) মুজাক্কির হত্যার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় তার পরিবার।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে মুজাক্কিরের বড় ভাই ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ নুরুদ্দিন মুহাদ্দিস বলেন, ছোট ভাই হারানোর বেদনা প্রধানমন্ত্রীও অনুভব করেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটে শেখ রাসেলসহ পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কোম্পানীগঞ্জের চাপরাশিরহাটে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলির ছবি তুলতে গিয়ে গুলিবৃদ্ধ হন সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির। পরদিন (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

 

পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত নামাদের বিরুদ্ধে মামলা করি। সেদিনই নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) মামলা হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও এ মামলার কোনো অগ্রগতিই হয়নি। দেওয়া হয়নি মামলার চার্জশিটও। মামলার ভবিষ্যত কি তাও আমরা জানি না।

এসময় মুজাক্কিরের ভগ্নিপতি মাওলানা আবদুছ ছাত্তার বলেন, এক বছরেও আলোচিত এ মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় নোয়াখালীর প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের ব্যর্থতা। জেলা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগও এ দায় এড়াতে পারে না।

 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুজাক্কিরের বাবা মাওলানা নুরুল হুদা মো. নোয়াব আলী, মা মমতাজ বেগম, মেঝভাই মো. ফখরুদ্দিন, ভগ্নিপতি মাওলানা আবু সাঈদ, মাওলানা আবদুছ ছাত্তার, বড়বোন জান্নাতুল ফেরদাউস, নুরনাহার, গুলশান আরা, গুলনাহার প্রমুখ ।

 

জানতে চাইলে মুজাক্কির হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নোয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের পরিদর্শক মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মামলায় এ পর্যন্ত ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে।