ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
চাটখিলে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে হস্তান্তর প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণচেষ্টা, থানায় বাদীকে হেনস্থা, গ্রেপ্তার ২ নোয়াখালীতে যাত্রী ছাউনিতে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব নোয়াখালীতে মোটরের বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু একই পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস লন্ডনে, এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ নারিকেলডাব পাড়ার প্রলোভনে ডেকে নিয়ে শিশুকে বলৎকার একরাতে কোম্পানীগঞ্জের তিন বাড়িতে ডাকাতি মাদক ব্যবসায়ীর রাজকীয় আস্তানা: কুঁড়েঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার নোয়াখালীতে দুর্বৃত্তের আগুনে জ্বলল জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ

নোয়াখালীর সদরের শুল্লকিয়ায় দাপনের ৪মাস পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১ ৯০৩৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিবেদক:

 

আদালতে মামলার ভিত্তিতে মৃত্যুর ৩মাস ২১দিন পর নোয়াখালীর সদর উপজেলার উত্তর শুল্লকিয়া গ্রাম থেকে মারজাহান বেগম নামের এক গৃহবধূর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মামলার বাদি নিহত গৃহবধূর শাশুড়ি রহিমা বেগম। ওই মামলায় রহিমার স্বামী আব্দুল খালেক, সৎ ছেলে সোহাগ, রাজু ও সৎ মেয়ের স্বামী জামাল উদ্দিনকে আসামী করা হয়। আসামীদের মধ্যে সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে বর্তমানে জেলা কারাগারে রয়েছে।

রোববার বিকেলে ময়না তদন্ত শেষে পুনঃরায় ওই গৃহবধূর লাশ দাফন করা হয়েছে। এরআগে সকাল ৯টার দিকে জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে এবং সুধারাম মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় মারজাহানের লাশ উত্তোলন করা হয়।

 

জানা গেছে, চলতি বছরের গত ৩ এপ্রিল দুপুরে সৎ ছেলে সোহাগের স্ত্রী মারজাহানকে বাড়িতে রেখে বাবার বাড়িতে যান রহিমা বেগম। রাত ২টার দিকে রহিমার স্বামী আব্দুল খালেক তাকে মোবাইলে জানান মারজাহান বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে। পরদিন ভোরে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। আসার পর রহিমা জানতে পারেন সোহাগের পরকিয়ার প্রেমের প্রতিবাদ করায় রাতে মারজাহানের সাথে আসামীদের ঝগড়া হয়। এর একপর্যায়ে তারা সবাই মিলে মারজাহানকে পিটিয়ে হত্যা করে মুখে ভিষ ঢেলে দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে চাইলে খালেকসহ পরিবারের লোকজন রহিমাকে ঘরে আটকে রাখে। প্রায় দুই মাস ঘরে আটক থাকার পর গত ১৬জুন বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে নোয়াখালী আমলি আদালতে চারজনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। নিহত মারজাহানের গলা ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ ছিলো। হত্যার আগেও আসামীরা একাধিকবার মারজাহানকে শারীরিক নির্যাতন করেছিল বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বাদি এ ঘটনার সুষ্ঠো বিচার দাবি করেছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের নির্দেশে নিহত গৃহবধূর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের পর নোয়াখালী জেনারেল হাসাপাতালে ময়না তদন্ত শেষে পুনঃরায় দাফন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

নোয়াখালীর সদরের শুল্লকিয়ায় দাপনের ৪মাস পর গৃহবধূর লাশ উত্তোলন

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১

নোয়াখালী প্রতিবেদক:

 

আদালতে মামলার ভিত্তিতে মৃত্যুর ৩মাস ২১দিন পর নোয়াখালীর সদর উপজেলার উত্তর শুল্লকিয়া গ্রাম থেকে মারজাহান বেগম নামের এক গৃহবধূর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মামলার বাদি নিহত গৃহবধূর শাশুড়ি রহিমা বেগম। ওই মামলায় রহিমার স্বামী আব্দুল খালেক, সৎ ছেলে সোহাগ, রাজু ও সৎ মেয়ের স্বামী জামাল উদ্দিনকে আসামী করা হয়। আসামীদের মধ্যে সোহাগকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে বর্তমানে জেলা কারাগারে রয়েছে।

রোববার বিকেলে ময়না তদন্ত শেষে পুনঃরায় ওই গৃহবধূর লাশ দাফন করা হয়েছে। এরআগে সকাল ৯টার দিকে জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে এবং সুধারাম মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় মারজাহানের লাশ উত্তোলন করা হয়।

 

জানা গেছে, চলতি বছরের গত ৩ এপ্রিল দুপুরে সৎ ছেলে সোহাগের স্ত্রী মারজাহানকে বাড়িতে রেখে বাবার বাড়িতে যান রহিমা বেগম। রাত ২টার দিকে রহিমার স্বামী আব্দুল খালেক তাকে মোবাইলে জানান মারজাহান বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে। পরদিন ভোরে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। আসার পর রহিমা জানতে পারেন সোহাগের পরকিয়ার প্রেমের প্রতিবাদ করায় রাতে মারজাহানের সাথে আসামীদের ঝগড়া হয়। এর একপর্যায়ে তারা সবাই মিলে মারজাহানকে পিটিয়ে হত্যা করে মুখে ভিষ ঢেলে দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে চাইলে খালেকসহ পরিবারের লোকজন রহিমাকে ঘরে আটকে রাখে। প্রায় দুই মাস ঘরে আটক থাকার পর গত ১৬জুন বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে নোয়াখালী আমলি আদালতে চারজনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। নিহত মারজাহানের গলা ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ ছিলো। হত্যার আগেও আসামীরা একাধিকবার মারজাহানকে শারীরিক নির্যাতন করেছিল বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বাদি এ ঘটনার সুষ্ঠো বিচার দাবি করেছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের নির্দেশে নিহত গৃহবধূর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের পর নোয়াখালী জেনারেল হাসাপাতালে ময়না তদন্ত শেষে পুনঃরায় দাফন করা হয়েছে।