Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

আগামী ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনের মধ্যদিয়েই আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে নোয়াখালীর ৮টি উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের পাকা ঘরে এবার মাথা গোঁজাবার ঠিকানা হবে ৬৪৬ পরিবারের। এই ঘরে জীবনের গল্প পরির্বতনের পাশাপাশি ভাসমান জীবনের লজ্জা মুচে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সুবিধাভোগী পরিবারগুলো।

 

জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের এস. এ শাখার তথ্য অনুযায়ী, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় পর্যায়ে নোয়াখালীতে মোট ঘর বরাদ্ধ হয় ২৩৬২টি। এরমধ্যে প্রথম ধাপে উপকারভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ৩৬৭টি ঘর। দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২১ জুলাই সদর উপজেলায় ৩১২, বেগমগঞ্জে ৬০, কোম্পানীগঞ্জে ৪২, চাটখিলে ১০, সেনবাগে ৪২, সুবর্ণচরে ১৩৮, সোনাইমুড়িতে ২৭ ও কবিরহাটে ১৫টি ঘর উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হবে।

 

সদর উপজেলায় তৃতীয় পর্যায়ে বরাদ্ধ পাওয়া ৪৩৫টি ঘরের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে ৩১২টি ঘর। এরমধ্যে উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে ১৪টি, অশ^দিয়া ইউনিয়নের মুকিমপুরে ১৭টি, দক্ষিণ নাজিরপুরে ৮টি, এওজবালিয়ার দক্ষিণ চর শুল্লকিয়ায় ৪২টি, চর শুল্লুকিয়ায় ৬টি, পশ্চিম এওজবালিয়ায় ২৩টি, চরমটুয়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে ৩৯টি, পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্য নারায়ণ বহর গ্রামে ৪৬টি, আন্ডারচর ইউনিয়নের পূর্ব মাইজচরা গ্রামে ৫৭টি, কালাদরাপ ইউনিয়নের রামহরিতালুক গ্রামে ১৩টি ও উত্তর চর শুল্লুকিয়া গ্রামে ৪৭টি এবং কবিরহাটের ধানসিঁড়ি ইউনিয়নে ১৫টি নির্মাণাধীন ঘরে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে নতুন জীবনের যাত্রা শুরু করবে উপকারভোগীরা।

 

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন জমি ক্রয় করে হলেও ভূমিহীন-গৃহহীনদের ঘর করে দিতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা যে স্বপ্ন আমাদেরকে দেখিয়ে যাচ্ছেন, আমরা সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার জন্য সারথী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি।

Sharing is caring!