ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

তিনশ বছরের পুরনো নোয়াখালীর বজরা শাহী মসজিদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩ ১২১৪৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

 

মোঘল আমলে প্রায় তিনশত বছর আগে নির্মিত অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা গ্রামের ‘বজরা শাহী মসজিদ’। দিল্লীর মোগল সম্রাটরা ভারতবর্ষে ৩০০ বছরের বেশি সময় রাজত্ব করেন।

 

এ দীর্ঘ সময়ে মোগল সম্রাট এবং তাদের উচ্চপদের আমলারা বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ইমারত ও মসজিদ নির্মাণ করেন যা আজও রয়েছে স্থাপত্যশিল্পের বিরল ও উজ্জ্বল নির্দশন হয়ে। ‘বজরা শাহী মসজিদ’ এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি।

 

মোগল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের রাজত্বকালে ১৭৪১ থেকে ৪২ খ্রিস্টাব্দে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন আমান উল্লাহ। ১৯১১ থেকে ১৯২৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে নোয়াখালীর বজরা জমিদার খান বাহাদুর আলী আহমদ ও খান বাহাদুর মুজির উদ্দিন আহমদ এ মসজিদটি মেরামত করেছিলেন এবং সাজিয়েছিলেন সিরামিকের মোজাইক দিয়ে।

 

২৯ নভেম্বর ১৯৯৮ থেকে বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বজরা শাহী মসজিদের ঐতিহ্য রক্ষা এবং দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য কাজ করেছে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সুরক্ষিত স্থানগুলোর তালিকাতেও রয়েছে মসজিদটি। আমাদের দেশের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে এটিও অন্যতম একটি স্থান। দর্শনার্থীদের মন জুড়িয়ে যায় এ মসজিদে এলেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

তিনশ বছরের পুরনো নোয়াখালীর বজরা শাহী মসজিদ

আপডেট সময় : ১২:০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

 

মোঘল আমলে প্রায় তিনশত বছর আগে নির্মিত অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা গ্রামের ‘বজরা শাহী মসজিদ’। দিল্লীর মোগল সম্রাটরা ভারতবর্ষে ৩০০ বছরের বেশি সময় রাজত্ব করেন।

 

এ দীর্ঘ সময়ে মোগল সম্রাট এবং তাদের উচ্চপদের আমলারা বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ইমারত ও মসজিদ নির্মাণ করেন যা আজও রয়েছে স্থাপত্যশিল্পের বিরল ও উজ্জ্বল নির্দশন হয়ে। ‘বজরা শাহী মসজিদ’ এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি।

 

মোগল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের রাজত্বকালে ১৭৪১ থেকে ৪২ খ্রিস্টাব্দে এ মসজিদটি নির্মাণ করেন আমান উল্লাহ। ১৯১১ থেকে ১৯২৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে নোয়াখালীর বজরা জমিদার খান বাহাদুর আলী আহমদ ও খান বাহাদুর মুজির উদ্দিন আহমদ এ মসজিদটি মেরামত করেছিলেন এবং সাজিয়েছিলেন সিরামিকের মোজাইক দিয়ে।

 

২৯ নভেম্বর ১৯৯৮ থেকে বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বজরা শাহী মসজিদের ঐতিহ্য রক্ষা এবং দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য কাজ করেছে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সুরক্ষিত স্থানগুলোর তালিকাতেও রয়েছে মসজিদটি। আমাদের দেশের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে এটিও অন্যতম একটি স্থান। দর্শনার্থীদের মন জুড়িয়ে যায় এ মসজিদে এলেই।