Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

করোনা ভাইরাসে নোয়াখালীতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০জন। যার মধ্যে পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, ব্যবসায়ী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোক রয়েছে। এনিয়ে জেলায় করোনা আক্রন্তের সংখ্যা বেড়ে ৬৬৫জন। এদিকে পুলিশ সদস্যরা আক্রান্ত হওয়ায় চৌমুহনী ও সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে সিভিল সার্জন ডা. মো. মোমিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিন বলেন নতুন আক্রান্তদের মধ্যে বেগমগঞ্জে ৫৪জন, সদরে ১৭জন, সোনাইমুড়ীতে ১১জন, কবিরহাটে ৫জন ও সেনবাগে ৩জন রয়েছে।

সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ও করোনা ফোকাল পার্সন ডা: নিলিমা ইয়াছমিন জানান, সদরে নতুন করে ১৭ জনর করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ৬ সদস্য, ইসলামীয়া মাদ্রাসার ২ শিক্ষার্থী, নোয়াখালী যক্ষ্মা হাসপাতালের এক ফার্মাসিস্ট ও মাইজদী শহরের এক ব্যবসায়ীসহ অন্য শ্রেণি পেশার লোক রয়েছেন। উপজেলায় মোট আক্রান্ত ১৩৮জন। মারা গেছেন দুই জন।

বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার দাস জানান, গত ২৪ ঘন্টায় এ উপজেলায় আরও ৫৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের সিংহভাগই চৌমুহনী পৌর শহরের বাসিন্দা। এ নিয়ে বেগমগঞ্জে করোনা শনাক্ত রোগী ৩১৪ জন। যার মধ্যে মারা গেছেন ৭জন।

উপজেলা ভিত্তিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাঃ জেলায় মোট আক্রান্ত ৬৬৫জন। বেগমগঞ্জে ৩১৪, কবিরহাটে ৬৭, সদরে ১৩৮, চাটখিলে ৩৭, সোনাইমুড়ীতে ৪৭, সুবর্ণচরে ১৭, সেনবাগে ৩১, কোম্পানীগঞ্জে ৮ ও হাতিয়ায় ৬জন রোগী রয়েছে। যাদের মধ্যে মারা গেছেন, সোনাইমুড়ীতে মোরশেদ আলম (৪৫) নামে এক ইতালি প্রবাসী, সেনবাগে এক রাজমেস্ত্রী মো. আক্কাস (৪৮), বেগমগঞ্জে তারেক হোসেন (৩০) ও আমিনুল ইসলাম মিন্টু (৪৭) নামের দুই ব্যবসায়ী, সোনাইমুড়ীতে ফখরুল ইসলাম বাচ্চু (৫৯) নামের এক কৃষক, বেগমগঞ্জের কুতুবপুরে শহিদুর রহমান (৬৬), চৌমুহনী পৌরসভা করিমপুরের বেলাল উদ্দিন (৫৭), চৌমুহনী পৌরসভার পশ্চিম গণিপুর হাজী আবুল খায়ের পাটোয়ারী (৭৪), নরোত্তমপুরে জতন লাল সাহা (৬৫), সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটার মাঈন উদ্দিন মানিক (৬৫), নোয়াখালী পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড জয়কৃষ্ণপুরের আব্দুর রাজ্জাক ফারুক (৫৫), সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে আব্দুল মান্নান মনু (৬১) ও বেগমগঞ্জের একলাশপুরের সাখায়েত উল্যাহ (৮০)।

Sharing is caring!