Sharing is caring!

নিজেস্ব প্রতিবেদক::

দুপুর ১টা বাজার ১০ মিনিট বাকি। ঘড়ি দেখে ইসমাইল ভাবলো ১০ মিনিট পর খাবারের বিরতিতে যাবে। সকালের নাস্তাও খাওয়া হইনি তার।তাড়াহুড়ো করে অফিসে চলে আসলো কাজের তাগিদে। কিন্তু কে জানতো খাওয়ার জন্য ডান হাতটি আর থাকবেনা ইসমাইলের!

অফিসের সুপারভাইজার শামীমের ভুলে চিরতরে ডান হাত হারাতে হলো ইসমাইলকে।অল্পের জন্য মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেছে সে। কিন্তু সারা জীবন অন্যের করুনার পাত্র হয়ে বাঁচতে হবে তাকে।

৪জুন (বৃহস্পতিবার) নারায়নগঞ্জের “অনন্ত ডেনিম টেকনোলজি লিঃ (অনন্ত গ্রুপ)” এর প্রতিষ্ঠানের অয়েট প্রসেস মেশিনের সিনিয়র অপারেটর মোঃ ইসমাইলের জীবনে ঘটে যায় এই মর্মান্তিক ঘটনা! দক্ষতার সাথে দীর্ঘদিন এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করে আসছিল ইসমাইল। ওইদিন সে মেশিন বন্ধ করে কাজ করছিলো। এমতাবস্থায় সুপাভাইজার শামীম এসে কাউকে কিছু না বলেই মেশিন চালু করে ফেলে।তাতে ইসমাইলের হাত চলে যায় মেশিনের ভেতর! তার চিৎকার শুনে সহকর্মীরা ছুটে আসলে তারপর মেশিন বন্ধ করে শামীম। ততক্ষণে ইসমাইল তার ডান হাতটি আজীবনের জন্য হারায়।এরপর সহকর্মীরা কোম্পানীর পাইভেটকারে করে ইসমাইলকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই ইসমাইলের চিকিৎসা চলছে।

ভুক্তভোগী ইসমাইল জানান, সেদিন আমি মেশিন বন্ধ করে কাজ করছিলাম, হঠাৎ সুপারভাইজার শামীমকে দেখি ইচ্চাকৃতভাবেই মেশিন চালু করতে। আমার ডান হাতটি মেশিনের ভেতর চলে যাওয়ায় আমি চিৎকার করার পরও তিনি মেশিন বন্ধ করেননি। পরে যখন সহকর্মীরা আমার চিৎকার শুনে ছুটে আসে, তখনই শামীম সাহেব মেশিন বন্ধ করেছেন। ততক্ষণে আমার ডান হাত আর নেই! সহকর্মীরা এসে মেশিন খুলে আমার কাটা হাত বের করে আমাকে হাসপাতালে পাঠায়।

Sharing is caring!