Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএন্ডএফপিও) এবং কবিরহাট উপজেলার মধ্য সুন্দলপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের একজন হেলথ প্রোভাইডর (সিএইচসিপি) করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এনিয়ে জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৭জন। যারমধ্যে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলায় ৮জন, সদরে ২জন, সোনাইমুড়ীতে ৩জন, হাতিয়ায় ১জন, সেনবাগে ১জন ও কবিরহাটে ২জন। মারা গেছেন সোনাইমুড়ীতে এক ইতালি প্রবাসী ও সেনবাগে এক রাজমেস্ত্রী।

মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও কর্মীর করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মোমিনুর রহমান। তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নমুনা পরীক্ষার জন্য গত ২৮তারিখ বিআইটিআইডিতে পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে নমুনা রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ আসে। সে বর্তমানে ঢাকার উত্তরার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অপরদিকে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের সবিরপাইক গ্রামের বাসিন্দা ও মধ্য সুন্দলপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ প্রোভাইডর নাফিজ উদ্দিন সজীব (৩৩) এর নমুনা গত ২৭ এপ্রিল সংগ্রহ করা হয়। ২৮এপ্রিল তার নমুনা পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ ইনস্ট্রিটিউট অব ট্রফিক্যাল এন্ড এনফেকসাস ডিজিস (বিআইটিআইডি) চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছিল। তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসলেও তার শরীরে কোন উপসর্গ নেই।

তিনি আরও বলেন, নমুনা সংগ্রহের পর থেকে ৪মে পর্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে আসছিলেন এই সিএইচসিপি।

মঙ্গলবার সকালে তার বাড়ীটি লকডাউন ঘোষনা করে লাল পতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে নিজ বাড়ীতে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে তার পরিবারের ৫জন সদস্য। নমুনা সংগ্রহ করা হবে তার সংস্পর্শে আসা পারিবারের অন্য সদস্যদের।

Sharing is caring!