Sharing is caring!

নিজস্ব প্রতিনিধি :

 

নোয়াখালী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মহব্বতপুর গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়ির সীমানা প্রাচীর করার সময় কতিপয় সন্ত্রাসীদের দ্বারা লাঞ্ছিতের শিকার হন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ও নোয়াখালী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সুবর্ণ প্রভাত পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মো. আসাদুল্যাহ মিলটন।

 

জানা যায়, মহব্বতপুর মৌজার দিয়ারা ৫২নং খতিয়ানের ১৩৭নং দাগে ৩২ ডিং অন্দরে ২৬ ডিং যার জমাখারিজ ৩৭৯নং খতিয়ানভুক্ত। বর্তমান হাল জোনাল জরিপী ডিপি ১৬৬নং খতিয়ানের হাল ১৫৩৮ ও ১৫৩৯ দাগের ভূমি মো. ইসমাইল গংদের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এটি সাংবাদিক মিলটনের ফুফুর বাড়ি।

 

উপরোক্ত দাগের পশ্চিমাংশে ইসমাইল মিয়াদের সীমানা প্রাচীরের ভেতর নোয়াখালী জেলা পরিষদের কিছু সম্পত্তি আছে দাবি করে তৃতীয় পক্ষ স্থানীয় মো. লিটন (৪৪), মো. সুমন (২৮), মো. সাহাব উদ্দিন (৬৫), মো. রুবেল (২৬), মো. কাজল (২৪), বকুল (৪৫), আঁখি বেগম (৩৮), কুসুম (৪২), আয়েশা বেগমসহ (৪৪) অজ্ঞাত আরো অনেকে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালায়।

যার ফলে গত ২৬/১১/২০১৯ইং তারিখে ইসমাইল মিয়া জীবিত থাকা (গত বছর ৯ মার্চ ইন্তেকাল করেন) অবস্থায় নোয়াখালীর বিজ্ঞ সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে জেলা পরিষদকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত দীর্ঘ ২ বছর ধরে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময় নোটিশ চালাচালি করার পরও জেলা পরিষদ তাদের মালিকানার কোনো কাগজপত্র আদালতে দাখিল না করায় আদালত গত ৩০-১১-২০২১ইং তারিখে “অত্র মোকদ্দমাটি বিবাদীগণের বিরুদ্ধে একতরফা সূত্রে বিনা খরচায় ডিগ্রি হইল। তৎপ্রেক্ষিতে বিবাদীগণ যেন তফসিল ভূমিতে অন্যায় ও বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করিতে না পারে কিংবা বাদীপক্ষের শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে বিঘ্ন সৃষ্টি করিতে না পারে কিংবা নালিশী ভূমিতে কোনো গোরস্থান, কবরস্থান নির্মাণ করিতে না পারে তৎমর্মে বিবাদীগণকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দ্বারা বারিত করা গেল”- মর্মে এক আদেশ জারি করেন।

 

ইসমাইল মিয়ার সন্তানরা কেউ এ বাড়িতে না থাকায় উপরোক্ত সন্ত্রাসীরা বাড়ির কেয়ারটেকারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে গাছগাছালি কেটে, ডাব-নারকেল পেড়ে নিয়ে যায়। বাধা দিতে গেলে নানা হুমকি-ধমকি দেয়। এমতাবস্থায় সীমানা প্রাচীরটি নির্মাণ করা জরুরি।

 

সর্বশেষ আদালতের রায় পেয়ে গতকাল ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ শনিবার মো. ইসমাইল মিয়ার সন্তানরা দাগের পশ্চিম অংশে কিছুটা ছেড়ে পুনরায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে উপরোক্ত সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক মিলটন আদালতের নিষেধাজ্ঞার কথা জানালে সন্ত্রাসীরা তার উপরও হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা লোহার পাত দিয়ে তার পায়ে আঘাত করে এবং মাথায় আঘাত করতে চাইলে তিনি হাত দিয়ে তা প্রতিহতের চেষ্টা করলে হাতে আঘাত পান। এ সময় তার কপাল কিছুটা কেটে যায়।

 

এ ব্যাপারে আসাদুল্যাহ মিলটন জানান, তিনি আইনি আশ্রয় গ্রহণ করবেন। তবে যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহে কিছুটা বিলন্ব হচ্ছে।

Sharing is caring!