ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে মিলল ২০ কেজি ওজনের কোরাল মাছ ফের পেছাল আলোচিত শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামি ফের অস্ত্র নিয়ে আটক নোয়াখালীতে প্রথম বারের মত হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু কবিরহাটে স’মিলে মিলল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ সম্পত্তি ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা: দুই বছর পর কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার-৩ কবিরহাটে জনসচেতনতা ও ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন নোয়াখালীতে অনূর্ধ্ব-১৮ “নোয়াখালী প্রিমিয়ার লীগের উদ্বোধন সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার ৯৯ বস্তা সরকারি চাল চুরির মামলায় কারাগারে, বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতায় আসামির মৃত্যু

নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে মিলল ২০ কেজি ওজনের কোরাল মাছ

নিজেস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ পেয়েছেন কৃষক মো. নাজিম উদ্দিন। বিরল এ ঘটনায় ব্যাপক কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মাছটি এক নজর দেখতে রাতেই ভিড় করেন শতাধিক মানুষ।

রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের চরবগুলা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি খালে মাছটি পাওয়া যায়। কৃষক নাজিম ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশের নদীর তীরে হাঁটতে বের হন কৃষক নাজিম উদ্দিন। এ সময় তার হাতে থাকা টর্চলাইটের আলোতে খালের অল্প পানির মধ্যে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখেন। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কাছে গিয়ে দেখতে পান বিশাল আকৃতির একটি কোরাল মাছ ছটফট করছে। পরে দ্রুত সেটি ধরে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়। স্থানীয়দের অনুরোধে মাছটি পরে চরবগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের একটি দোকানে আনা হলে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। অনেকে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

স্থানীয়দের ধারণা, জোয়ারের পানির সঙ্গে মাছটি খালে উঠে এসে আটকা পড়েছিল। বিশাল আকৃতির এ কোরাল মাছ ঘিরে পুরো এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলেও মন্তব্য করেছেন।

নাজিম উদ্দিন বলেন, নদীর পাড়ে হাঁটার সময় হঠাৎ পানিতে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখি। কাছে গিয়ে বুঝতে পারি এটি বিশাল একটি কোরাল মাছ। পরে দ্রুত ধরে ফেলি। এত বড় মাছ জীবনে এই প্রথম পেলাম।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, রাত হয়ে যাওয়ায় মাছটি বাজারে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় কয়েকজন মিলে মাছটি কিনে নেন। প্রায় ২০ কেজি ওজনের মাছটি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়েছে। পরে মাছটি কেটে ভাগ করে নেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে মিলল ২০ কেজি ওজনের কোরাল মাছ

আপডেট সময় : ১২:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ পেয়েছেন কৃষক মো. নাজিম উদ্দিন। বিরল এ ঘটনায় ব্যাপক কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মাছটি এক নজর দেখতে রাতেই ভিড় করেন শতাধিক মানুষ।

রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের চরবগুলা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি খালে মাছটি পাওয়া যায়। কৃষক নাজিম ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশের নদীর তীরে হাঁটতে বের হন কৃষক নাজিম উদ্দিন। এ সময় তার হাতে থাকা টর্চলাইটের আলোতে খালের অল্প পানির মধ্যে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখেন। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কাছে গিয়ে দেখতে পান বিশাল আকৃতির একটি কোরাল মাছ ছটফট করছে। পরে দ্রুত সেটি ধরে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়। স্থানীয়দের অনুরোধে মাছটি পরে চরবগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের একটি দোকানে আনা হলে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। অনেকে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

স্থানীয়দের ধারণা, জোয়ারের পানির সঙ্গে মাছটি খালে উঠে এসে আটকা পড়েছিল। বিশাল আকৃতির এ কোরাল মাছ ঘিরে পুরো এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলেও মন্তব্য করেছেন।

নাজিম উদ্দিন বলেন, নদীর পাড়ে হাঁটার সময় হঠাৎ পানিতে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখি। কাছে গিয়ে বুঝতে পারি এটি বিশাল একটি কোরাল মাছ। পরে দ্রুত ধরে ফেলি। এত বড় মাছ জীবনে এই প্রথম পেলাম।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, রাত হয়ে যাওয়ায় মাছটি বাজারে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় কয়েকজন মিলে মাছটি কিনে নেন। প্রায় ২০ কেজি ওজনের মাছটি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়েছে। পরে মাছটি কেটে ভাগ করে নেওয়া হয়।