ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬ কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ নতুন কূপে খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সংবাদ সম্মেলন হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু, চাটখিলে হাসপাতালে ভাঙচুর ডিবি পুলিশের অভিযানে হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বারবিকিউ পার্টিতে মদপানে তরুণের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪ মাদকসেবী অপবাদে রিকশাচালককে হত্যা, পিবিআইয়ের জালে দুই কিশোর প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে কবিরহাটে বিএনপির জরুরী সংবাদ সম্মেলন

নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে মিলল ২০ কেজি ওজনের কোরাল মাছ

নিজেস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ পেয়েছেন কৃষক মো. নাজিম উদ্দিন। বিরল এ ঘটনায় ব্যাপক কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মাছটি এক নজর দেখতে রাতেই ভিড় করেন শতাধিক মানুষ।

রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের চরবগুলা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি খালে মাছটি পাওয়া যায়। কৃষক নাজিম ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশের নদীর তীরে হাঁটতে বের হন কৃষক নাজিম উদ্দিন। এ সময় তার হাতে থাকা টর্চলাইটের আলোতে খালের অল্প পানির মধ্যে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখেন। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কাছে গিয়ে দেখতে পান বিশাল আকৃতির একটি কোরাল মাছ ছটফট করছে। পরে দ্রুত সেটি ধরে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়। স্থানীয়দের অনুরোধে মাছটি পরে চরবগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের একটি দোকানে আনা হলে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। অনেকে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

স্থানীয়দের ধারণা, জোয়ারের পানির সঙ্গে মাছটি খালে উঠে এসে আটকা পড়েছিল। বিশাল আকৃতির এ কোরাল মাছ ঘিরে পুরো এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলেও মন্তব্য করেছেন।

নাজিম উদ্দিন বলেন, নদীর পাড়ে হাঁটার সময় হঠাৎ পানিতে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখি। কাছে গিয়ে বুঝতে পারি এটি বিশাল একটি কোরাল মাছ। পরে দ্রুত ধরে ফেলি। এত বড় মাছ জীবনে এই প্রথম পেলাম।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, রাত হয়ে যাওয়ায় মাছটি বাজারে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় কয়েকজন মিলে মাছটি কিনে নেন। প্রায় ২০ কেজি ওজনের মাছটি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়েছে। পরে মাছটি কেটে ভাগ করে নেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে মিলল ২০ কেজি ওজনের কোরাল মাছ

আপডেট সময় : ১২:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ পেয়েছেন কৃষক মো. নাজিম উদ্দিন। বিরল এ ঘটনায় ব্যাপক কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মাছটি এক নজর দেখতে রাতেই ভিড় করেন শতাধিক মানুষ।

রবিবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের চরবগুলা গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি খালে মাছটি পাওয়া যায়। কৃষক নাজিম ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যার পর বাড়ির পাশের নদীর তীরে হাঁটতে বের হন কৃষক নাজিম উদ্দিন। এ সময় তার হাতে থাকা টর্চলাইটের আলোতে খালের অল্প পানির মধ্যে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখেন। প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কাছে গিয়ে দেখতে পান বিশাল আকৃতির একটি কোরাল মাছ ছটফট করছে। পরে দ্রুত সেটি ধরে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়। স্থানীয়দের অনুরোধে মাছটি পরে চরবগুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের একটি দোকানে আনা হলে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। অনেকে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

স্থানীয়দের ধারণা, জোয়ারের পানির সঙ্গে মাছটি খালে উঠে এসে আটকা পড়েছিল। বিশাল আকৃতির এ কোরাল মাছ ঘিরে পুরো এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই ঘটনাটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলেও মন্তব্য করেছেন।

নাজিম উদ্দিন বলেন, নদীর পাড়ে হাঁটার সময় হঠাৎ পানিতে বড় কিছু নড়াচড়া করতে দেখি। কাছে গিয়ে বুঝতে পারি এটি বিশাল একটি কোরাল মাছ। পরে দ্রুত ধরে ফেলি। এত বড় মাছ জীবনে এই প্রথম পেলাম।

স্থানীয় ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান বলেন, রাত হয়ে যাওয়ায় মাছটি বাজারে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় কয়েকজন মিলে মাছটি কিনে নেন। প্রায় ২০ কেজি ওজনের মাছটি ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়েছে। পরে মাছটি কেটে ভাগ করে নেওয়া হয়।