ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে র‌্যাবের অভিযান: ২ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ, দুই বিরিয়ানি হাউজকে জরিমানা মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ থানার সামনে সড়ক দূর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর আরেক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা বাস-পিকআপের সংঘর্ষ : ফল ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ২ ১৮ জেলায় আরও জটিল বন্যা পরিস্থিতি, সতর্কতা জারি হাতিয়ায় জোয়ারের পানি-ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত উপকূল ফিফা সভাপতি-রেফারির বিরুদ্ধে মামলা চেয়ে থানায় তরুণ, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি বেগমগঞ্জে প্রকাশ্যে মাদক সেবন, যুবকের ২০ দিনের কারাদণ্ড

নষ্ট মিটারের শর্ট সার্কিটে পুড়ল কৃষকের বসতঘরসহ ৪ গরু, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

সুবর্ণচর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ১০২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পল্লী বিদ্যুতের নষ্ট মিটার থেকে সৃষ্ট শর্ট সার্কিটের আগুনে এক কৃষকের বসতঘর, গোয়ালঘর ও চারটি গরু পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারি সোহরাব কবিরাজ এ ঘটনার জন্য পল্লী বিদ্যুতের অবহেলাকে দায়ী করে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোররাতে উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সোহরাব কবিরাজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সোহরাব কবিরাজ বলেন, প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে তার বিদ্যুতের মিটারে ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় প্রতি মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার অতিরিক্ত বিল আসতে থাকে। বিষয়টি জানিয়ে তিনি সুবর্ণচর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে চার মাসে চারবার লিখিত অভিযোগ করেন। তবে মিটার পরিবর্তনের পরিবর্তে তাকে প্রতি মাসে আনুমানিক ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কাল্পনিক বিল পরিশোধ করতে বলা হয় এবং পরে মিটার বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস পার হলেও কর্তৃপক্ষ মিটার পরিবর্তন করেনি। মঙ্গলবার ভোররাতে ওই নষ্ট মিটার থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে তার চারটি গরু, একটি মোটরসাইকেল ও একটি সাইকেলসহ দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। পল্লী বিদ্যুতের অবহেলার কারণেই এ ক্ষতি হয়েছে। আমি ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাই।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আরব আলী শেখ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে কৃষকের অভিযোগের কোনো কপি অফিসে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।

সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রুবেল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোররাতে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নষ্ট মিটারের শর্ট সার্কিটে পুড়ল কৃষকের বসতঘরসহ ৪ গরু, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পল্লী বিদ্যুতের নষ্ট মিটার থেকে সৃষ্ট শর্ট সার্কিটের আগুনে এক কৃষকের বসতঘর, গোয়ালঘর ও চারটি গরু পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারি সোহরাব কবিরাজ এ ঘটনার জন্য পল্লী বিদ্যুতের অবহেলাকে দায়ী করে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোররাতে উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সোহরাব কবিরাজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সোহরাব কবিরাজ বলেন, প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে তার বিদ্যুতের মিটারে ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় প্রতি মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার অতিরিক্ত বিল আসতে থাকে। বিষয়টি জানিয়ে তিনি সুবর্ণচর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে চার মাসে চারবার লিখিত অভিযোগ করেন। তবে মিটার পরিবর্তনের পরিবর্তে তাকে প্রতি মাসে আনুমানিক ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কাল্পনিক বিল পরিশোধ করতে বলা হয় এবং পরে মিটার বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস পার হলেও কর্তৃপক্ষ মিটার পরিবর্তন করেনি। মঙ্গলবার ভোররাতে ওই নষ্ট মিটার থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে তার চারটি গরু, একটি মোটরসাইকেল ও একটি সাইকেলসহ দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। পল্লী বিদ্যুতের অবহেলার কারণেই এ ক্ষতি হয়েছে। আমি ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাই।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আরব আলী শেখ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে কৃষকের অভিযোগের কোনো কপি অফিসে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।

সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রুবেল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোররাতে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।