ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে র‌্যাবের অভিযান: ২ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ, দুই বিরিয়ানি হাউজকে জরিমানা মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ থানার সামনে সড়ক দূর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর আরেক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা বাস-পিকআপের সংঘর্ষ : ফল ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ২ ১৮ জেলায় আরও জটিল বন্যা পরিস্থিতি, সতর্কতা জারি হাতিয়ায় জোয়ারের পানি-ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত উপকূল ফিফা সভাপতি-রেফারির বিরুদ্ধে মামলা চেয়ে থানায় তরুণ, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি বেগমগঞ্জে প্রকাশ্যে মাদক সেবন, যুবকের ২০ দিনের কারাদণ্ড

চাটখিলে পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২০ ১৬৮২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ  
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় পাওনা ১৮০টাকা আদায় করতে গিয়ে ঘরে একা পেয়ে এক তরুণীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
রবিবার সকালে আসামীদের কারাগারে ও ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ও ২২ধারা জবানবন্দির জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, ধর্ষক নাঈম হোসেন (২২) ও তার সহযোগী ইউসুফ সুদানি (২৩)।
পুলিশ জানায়, পাশ^বর্তী জেলা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর বাবা চাটখিল পৌরসভার ভীমপুর মহল্লায় ভাড়া বাসায় থাকেন। মধ্য ভীমপুর এলাকায় নাঈমদের দোকান থেকে ওই তরুণীর বাবা ১৮০টাকা বাকীতে সদাই আনেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ১৮০টাকা নেওয়ার জন্য আব্দুল মান্নানের ছেলে নাঈম তরুনীর বাসায় যায়।
নাঈম ঘরে ঢুকে তার বাবা মার কথা জিজ্ঞাসা করে দোকান বাকী টাকা চায়। এসময় তার বাবা মা বাড়িতে নেই বললে নাঈম তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। আশপাশের লোকজন ঘটনাটি দেখে নাঈমকেকে আটক করে রাখে। খবর পেয়ে ধর্ষক নাঈমের বন্ধু একই এলাকার রফিক মোল্লার ছেলে ইউসুফ সুদানি (২৩) তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
শনিবার সন্ধ্যায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে নাঈম হোসেন ও ইউসুফ সুদানিকে আসামী করে চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাঈম ও ইউসুফ সুদানিকে গ্রেফতার করে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আনোয়ারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দোকানের বাকী টাকা আনতে গিয়ে ঘরে একা পেয়ে তরুণীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে নাঈম। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সকালে ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ও ২২ ধারা জবানবন্দির জন্য জেলা জজ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামীদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চাটখিলে পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২০
নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ  
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় পাওনা ১৮০টাকা আদায় করতে গিয়ে ঘরে একা পেয়ে এক তরুণীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
রবিবার সকালে আসামীদের কারাগারে ও ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ও ২২ধারা জবানবন্দির জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, ধর্ষক নাঈম হোসেন (২২) ও তার সহযোগী ইউসুফ সুদানি (২৩)।
পুলিশ জানায়, পাশ^বর্তী জেলা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর বাবা চাটখিল পৌরসভার ভীমপুর মহল্লায় ভাড়া বাসায় থাকেন। মধ্য ভীমপুর এলাকায় নাঈমদের দোকান থেকে ওই তরুণীর বাবা ১৮০টাকা বাকীতে সদাই আনেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ১৮০টাকা নেওয়ার জন্য আব্দুল মান্নানের ছেলে নাঈম তরুনীর বাসায় যায়।
নাঈম ঘরে ঢুকে তার বাবা মার কথা জিজ্ঞাসা করে দোকান বাকী টাকা চায়। এসময় তার বাবা মা বাড়িতে নেই বললে নাঈম তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। আশপাশের লোকজন ঘটনাটি দেখে নাঈমকেকে আটক করে রাখে। খবর পেয়ে ধর্ষক নাঈমের বন্ধু একই এলাকার রফিক মোল্লার ছেলে ইউসুফ সুদানি (২৩) তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
শনিবার সন্ধ্যায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে নাঈম হোসেন ও ইউসুফ সুদানিকে আসামী করে চাটখিল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাঈম ও ইউসুফ সুদানিকে গ্রেফতার করে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আনোয়ারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দোকানের বাকী টাকা আনতে গিয়ে ঘরে একা পেয়ে তরুণীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে নাঈম। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সকালে ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ও ২২ ধারা জবানবন্দির জন্য জেলা জজ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামীদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।