ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ, চরম সংকটের মুখে ভারত
- আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ১৭০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের মোট তেল আমদানির ৫৫ শতাংশ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে, যার পরিমাণ দৈনিক প্রায় ২৭ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল। ওয়াশিংটনের চাপে রুশ তেল আমদানি কমিয়ে দেওয়ার পর ২০২২ সালের শেষভাগ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এই নির্ভরতা ।
আরো পড়ুন: বাড়বে ঈদের ছুটি, ঘোষনা আসতে পারে ১৮ মার্চ
ভারতের তেলমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি গত মাসে জানান, ৭৪ দিনের জ্বালানি মজুত রাখার সক্ষমতা রয়েছে ভারতের হাতে। বর্তমানে ভারতের কাছে যে পরিমাণ মজুত আছে তা দিয়ে মাত্র ২০ থেকে ২৫ দিন চলা সম্ভব। খবর তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।
আরো পড়ুন: কোন দেশের ক্রিকেটাররা কত পান, টি-টোয়েন্টি খেলে
এরই মধ্যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে ভারত। এখন আর নরেন্দ্র মোদির জাদু আর কাজে আসছে না। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত বর্ধনশীল তেলের বাজারগুলোর মধ্যে অপর্যাপ্ত মজুত ব্যবস্থার কারণে ভারতই সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়তে পারে।
আরো পড়ুন: চালের দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পণ্য গবেষণা সংস্থা আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, চীনের হাতে অন্তত ছয় মাসের অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। সে তুলনায় ভারতের মজুত অনেক কম, যা দেশটিকে বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। সম্ভাব্য এ সংকট মোকাবিলায় ভারত বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করতে পারে। সোমবার দেশটির কেন্দ্রীয় তেল মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানিয়েছে, সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আরো পড়ুন : সেতু থাকলেও নেই সংযোগ সড়ক, ভোগান্তিতে এলাকাবাসি
তবে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় রুশ তেল আমদানিতে আরোপিত ২৫ শতাংশ ট্যারিফ ছাড় দেবে কিনা, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার ট্রেজারি ও জ্বালানি বিভাগ থেকে নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে।















