ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

ফেসবুকে শোক দিবসের ছবি দিয়ে পদ হারালেন বিএনপি নেতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩ ২৮২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাতিয়া প্রতিনিধি:

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শোক দিবসের ছবি পোস্ট করায় নোয়াখালীর হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি কাজী আব্দুর রহিমকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সাথে প্রফেসর আবু শাহাদাত মো. মোকাররম বিল্লাহকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়।

 

বুধবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান। এর আগে, গত সোমবার ২৮ আগস্ট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান বলেন, একটি বিষয়ের আলোকে হাতিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী আবদুর রহিমকে গত ১৭ আগস্ট কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। তবে ওই নোটিশের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় তাকে সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

অব্যাহতি পত্রে বলা হয়েছে, দলীয় শৃংখলা পরিপন্থি কাজে লিপ্ত থাকায় কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি যে লিখিত জবাব দিয়েছেন তা সন্তোষজনক নয়। এজন্য তাকে পৌর বিএনপির সভাপতিসহ সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাজী আবদুর রহিম হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি এবং হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। গত ১৫ আগষ্ট মাদরাসার আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে যান তিনি। এরপর সেই ছবি নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেন। পরে দলীয় নেতাকর্মিদের সমালোচনার মুখে তিনি পোস্ট সরিয়ে নেন। এরপর স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মিরা সেই পোস্টের স্কিনশর্ট নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নেতাদের কাছে দাবি জানান।

 

জানতে চাইলে কাজী আবদুর রহিম বলেন, তার কার্যক্রম পছন্দ না হওয়ায় তাকে পদ থেকে অব্যাহিত দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

ফেসবুকে শোক দিবসের ছবি দিয়ে পদ হারালেন বিএনপি নেতা

আপডেট সময় : ০৭:১৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৩

হাতিয়া প্রতিনিধি:

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শোক দিবসের ছবি পোস্ট করায় নোয়াখালীর হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি কাজী আব্দুর রহিমকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সাথে প্রফেসর আবু শাহাদাত মো. মোকাররম বিল্লাহকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়।

 

বুধবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান। এর আগে, গত সোমবার ২৮ আগস্ট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান বলেন, একটি বিষয়ের আলোকে হাতিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী আবদুর রহিমকে গত ১৭ আগস্ট কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। তবে ওই নোটিশের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় তাকে সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

অব্যাহতি পত্রে বলা হয়েছে, দলীয় শৃংখলা পরিপন্থি কাজে লিপ্ত থাকায় কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি যে লিখিত জবাব দিয়েছেন তা সন্তোষজনক নয়। এজন্য তাকে পৌর বিএনপির সভাপতিসহ সকল পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাজী আবদুর রহিম হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি এবং হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। গত ১৫ আগষ্ট মাদরাসার আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে যান তিনি। এরপর সেই ছবি নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেন। পরে দলীয় নেতাকর্মিদের সমালোচনার মুখে তিনি পোস্ট সরিয়ে নেন। এরপর স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মিরা সেই পোস্টের স্কিনশর্ট নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নেতাদের কাছে দাবি জানান।

 

জানতে চাইলে কাজী আবদুর রহিম বলেন, তার কার্যক্রম পছন্দ না হওয়ায় তাকে পদ থেকে অব্যাহিত দেওয়া হয়েছে।