ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদকের বিবাদে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, নোয়াখালীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ পাঁচ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল, একই আদেশে আরও আট কর্মকর্তাকে পদায়ন বখাটের এআই ভিডিওর অপপ্রচারে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর, আসামির ফাঁসির দাবি মাদকের বিরোধে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ১ ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ ১১ মামলার আসামি বুলেট ফারুক গ্রেফতার মাদক, কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৮৪ নেতাকর্মী গ্রেফতার জনতার ধাওয়ায় বিদেশি পিস্তল ফেলে পালাল অস্ত্রধারী নষ্ট মিটারের শর্ট সার্কিটে পুড়ল কৃষকের বসতঘরসহ ৪ গরু, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ মাদকবিরোধী সমাবেশের জেরে ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

মাছ কিনতে স্ত্রীকে বাজারে পাঠিয়ে প্রতিবেশী শিশুকে ধর্ষণ, সালিশী বৈঠক থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩ ৩০৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোনাইমুড়ী প্রতিবেদক:

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে দুই সন্তানের জনকের হাতে এক প্রতিবেশী শিশু (১৩) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনার দু’দিন পর পুলিশ অভিযুক্ত আসামিকে সালিশী বৈঠক থেকে গ্রেফতার করেছে।

 

ধর্ষক মোহাম্মদ সুমন (৩৬) উপজেলার বজরা ইউনিয়নের রশীদপুর গ্রামের জলিলের ছেলে।

 

গতকাল সোমবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত রোববার ১৫ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বজরা ইউনিয়নের রশীদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

অভিযোগ রয়েছে ঘটনার দিন ভুক্তভোগী পরিবার শিশু ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী অদৃশ্য কারণে মামলা না নিয়ে তাদের ফেরত পাঠায়। পরের দিন সংবাদকর্মীরা বিষয়টি নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলামকে অবহিত করলে পুলিশ মামলা নেয়।

 

নির্যাতিত শিশুর মা অভিযোগ করে বলেন, গত রোববার সকাল ৯টার দিকে আমার অসুস্থ মা ও মেয়েকে ঘরে রেখে আমি একটি বটি কিনতে বাজারে যাই। বাজারে যাওয়ার পথে ধর্ষক সুমনের সাথে আমার দেখা হয়। কোথায় যাচ্ছি জানতে চেয়ে তখন সে জোর করে আমাকে গাড়ি ভাড়া দেয়। এরপর তার ঘরে গিয়ে তার স্ত্রীকে জোর করে বাজারে মাছ কিনতে পাঠায়। এরপর আমার ঘরে ঢুকে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সকালে আমাদের ঘরে সালিশী বৈঠক থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেন এমন অভিযোগ শতভাগ মিথ্যা। সালিশী বৈঠক থেকে ধর্ষক গ্রেফতারের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। সালিশী বৈঠক থেকে ধর্ষককে গ্রেফতারের বিষয়টি তিনি নাকচ করেন। ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

মাছ কিনতে স্ত্রীকে বাজারে পাঠিয়ে প্রতিবেশী শিশুকে ধর্ষণ, সালিশী বৈঠক থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত

আপডেট সময় : ০৩:১২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

সোনাইমুড়ী প্রতিবেদক:

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে দুই সন্তানের জনকের হাতে এক প্রতিবেশী শিশু (১৩) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনার দু’দিন পর পুলিশ অভিযুক্ত আসামিকে সালিশী বৈঠক থেকে গ্রেফতার করেছে।

 

ধর্ষক মোহাম্মদ সুমন (৩৬) উপজেলার বজরা ইউনিয়নের রশীদপুর গ্রামের জলিলের ছেলে।

 

গতকাল সোমবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত রোববার ১৫ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বজরা ইউনিয়নের রশীদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

অভিযোগ রয়েছে ঘটনার দিন ভুক্তভোগী পরিবার শিশু ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী অদৃশ্য কারণে মামলা না নিয়ে তাদের ফেরত পাঠায়। পরের দিন সংবাদকর্মীরা বিষয়টি নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলামকে অবহিত করলে পুলিশ মামলা নেয়।

 

নির্যাতিত শিশুর মা অভিযোগ করে বলেন, গত রোববার সকাল ৯টার দিকে আমার অসুস্থ মা ও মেয়েকে ঘরে রেখে আমি একটি বটি কিনতে বাজারে যাই। বাজারে যাওয়ার পথে ধর্ষক সুমনের সাথে আমার দেখা হয়। কোথায় যাচ্ছি জানতে চেয়ে তখন সে জোর করে আমাকে গাড়ি ভাড়া দেয়। এরপর তার ঘরে গিয়ে তার স্ত্রীকে জোর করে বাজারে মাছ কিনতে পাঠায়। এরপর আমার ঘরে ঢুকে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সকালে আমাদের ঘরে সালিশী বৈঠক থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেন এমন অভিযোগ শতভাগ মিথ্যা। সালিশী বৈঠক থেকে ধর্ষক গ্রেফতারের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। সালিশী বৈঠক থেকে ধর্ষককে গ্রেফতারের বিষয়টি তিনি নাকচ করেন। ভিকটিমকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।