নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১১:৩৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা।
আরো পড়ুন: জমির বিরোধে বড় ভাইকে হত্যা, গ্রেফতার ছোট ভাই
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে পরীক্ষার্থীরা। পরে তারা পরীক্ষা বাতিল ও নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কাছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।
আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় নারী’সহ আটক-৩
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নোয়াখালী সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে না হয়ে লিখিত আকারে গ্রহণ করা হয়। পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রের সঙ্গে উত্তরপত্র সরবরাহ করে লিখিতভাবে উত্তর দিতে বলা হয়। এতে প্রায় ৮ হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র ১১/১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই দিন রাতেই সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। যা একটি লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ও প্রশ্নবিদ্ধ। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও কয়েকজনের রোল নম্বর চূড়ান্ত ফলাফলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে শীতার্ত ১০ সহস্রাধিক মানুষ পেল আম্বার গ্রুপের কম্বল
পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির সঙ্গে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠতার সুযোগে সুবিধাভোগী প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। এমনকি বিপুল অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার কথাও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। এমতাবস্থায় পরীক্ষার্থীরা ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ, অভিযুক্ত সিভিল সার্জনকে অন্যত্র বদলি এবং তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
আরো পড়ুন: আদালতের নির্দেশে ১৭ মাস পর তোলা হলো ইমতিয়াজের লাশ
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির মুঠোফোনে একাধিক ফোন করা হলে তিনি রিসভি করেনি। অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।









