সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শীতার্ত ১০ সহস্রাধিক মানুষ পেল আম্বার গ্রুপের কম্বল আদালতের নির্দেশে ১৭ মাস পর তোলা হলো ইমতিয়াজের লাশ থানার পাশেই সুপার মার্কেট, ১২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে চোরের দল তারেক রহমানের সংবর্ধনায় যাওয়ার পথে আহত বিএনপি নেতা জামালের মৃত্যু আবাসিক হোটেল থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার-২ নোয়াখালীতে আটক ৬ মাদকসেবীকে কারাদন্ড ঝোপে রাখা বস্তায় মিললো থানা থেকে লুট হওয়া কার্তুজসহ দেশীয় অস্ত্র নোয়াখালীতে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার সেলিম ও জয়নাল গ্রেফতার ৩বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

আদালতের নির্দেশে ১৭ মাস পর তোলা হলো ইমতিয়াজের লাশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর চাটখিলে ইমতিয়াজ হোসেন (২২) নামে এক তরুণের লাশ (হাড়গোড়) সতের মাস পর কবর থেকে তোলা হয়েছে।

আরো পড়ুন: থানার পাশেই সুপার মার্কেট, ১২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে চোরের দল

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার হাট পুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এ লাশ উত্তোলন করা হয়। এর আগে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমতিয়াজ ঢাকায় মারা যান। পরে সেদিন রাতেই তাকে দাফন করা হয়েছিল।

আরো পড়ুন: তারেক রহমানের সংবর্ধনায় যাওয়ার পথে আহত বিএনপি নেতা জামালের মৃত্যু

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর ইমতিয়াজ চাটখিল পৌরবাজারের জনতার আনন্দ মিছিলে অংশ নেন। ওই সময় চাটখিল থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। থানার অস্ত্র লুটের কিছু সময় পর গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরবর্তীতে ঢাকার একটি হাসপাতালে সে মারা যায়। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইমতিয়াজ নিহত হয়েছেন। এমন অভিযোগে গত ২২ মে নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় নোয়াখালী-১ আসনের সাবেক এমপি এইচ এম ইব্রাহীম, সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন মোহাম্মদ উল্ল্যাহসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এই মামলার তদন্তের প্রয়োজনেই আদালতের আদেশে এ মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

আরো পড়ুন: আবাসিক হোটেল থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার-২

লাশ তোলার সময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চাটখিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে আটক ৬ মাদকসেবীকে কারাদন্ড

ইমতিয়াজের বাবা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমার ছেলে জুলাই যোদ্ধা। সে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছে। আমার ছেলে ৫ আগস্ট আমার সাথে বিজয় মিছিলে যায়। আমার ছেলেকে সেদিন গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমি আমার সন্তান হত্যার বিচার চাই।

আরো পড়ুন: ঝোপে রাখা বস্তায় মিললো থানা থেকে লুট হওয়া কার্তুজসহ দেশীয় অস্ত্র

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোনাফ বলেন, আদলতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। পরে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতের প্রায় ২ মাস পর ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর হাবিবুর রহমান ছেলেকে জুলাই শহীদের স্বীকৃতির জন্য প্রশাসন আবেদন করেন এবং পরবর্তীতে শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। পরবর্তীতে আবার তার জুলাই শহীদের স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

আদালতের নির্দেশে ১৭ মাস পর তোলা হলো ইমতিয়াজের লাশ

আপডেট সময় : ১০:৫০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিলে ইমতিয়াজ হোসেন (২২) নামে এক তরুণের লাশ (হাড়গোড়) সতের মাস পর কবর থেকে তোলা হয়েছে।

আরো পড়ুন: থানার পাশেই সুপার মার্কেট, ১২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে চোরের দল

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার হাট পুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এ লাশ উত্তোলন করা হয়। এর আগে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমতিয়াজ ঢাকায় মারা যান। পরে সেদিন রাতেই তাকে দাফন করা হয়েছিল।

আরো পড়ুন: তারেক রহমানের সংবর্ধনায় যাওয়ার পথে আহত বিএনপি নেতা জামালের মৃত্যু

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর ইমতিয়াজ চাটখিল পৌরবাজারের জনতার আনন্দ মিছিলে অংশ নেন। ওই সময় চাটখিল থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। থানার অস্ত্র লুটের কিছু সময় পর গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরবর্তীতে ঢাকার একটি হাসপাতালে সে মারা যায়। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইমতিয়াজ নিহত হয়েছেন। এমন অভিযোগে গত ২২ মে নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় নোয়াখালী-১ আসনের সাবেক এমপি এইচ এম ইব্রাহীম, সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন মোহাম্মদ উল্ল্যাহসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এই মামলার তদন্তের প্রয়োজনেই আদালতের আদেশে এ মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

আরো পড়ুন: আবাসিক হোটেল থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার-২

লাশ তোলার সময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চাটখিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে আটক ৬ মাদকসেবীকে কারাদন্ড

ইমতিয়াজের বাবা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমার ছেলে জুলাই যোদ্ধা। সে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছে। আমার ছেলে ৫ আগস্ট আমার সাথে বিজয় মিছিলে যায়। আমার ছেলেকে সেদিন গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমি আমার সন্তান হত্যার বিচার চাই।

আরো পড়ুন: ঝোপে রাখা বস্তায় মিললো থানা থেকে লুট হওয়া কার্তুজসহ দেশীয় অস্ত্র

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোনাফ বলেন, আদলতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। পরে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতের প্রায় ২ মাস পর ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর হাবিবুর রহমান ছেলেকে জুলাই শহীদের স্বীকৃতির জন্য প্রশাসন আবেদন করেন এবং পরবর্তীতে শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। পরবর্তীতে আবার তার জুলাই শহীদের স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়।