ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
উসকানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি রাষ্ট্রের আদর্শ পরিবর্তন জরুরি: ইমাম সেলিম নোয়াখালীতে ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে মতবিনিময় সভা প্রাইেভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবা হাতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী গভীর রাতে চাচীর ঘরে ভাতিজা, পুরুষাঙ্গ কেটে উধাও চাচী নোয়াখালীতে র‌্যাবের অভিযান: ২ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ, দুই বিরিয়ানি হাউজকে জরিমানা মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ থানার সামনে সড়ক দূর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু

হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার

হাতিয়া প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ২১০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. মিলন (৪০) এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাহেদা আক্তার লাইজু (৩০)।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে মিলনের সঙ্গে নিহত নারীর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মিলন প্রায়ই তার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। গত ১২ মার্চ ভোরে হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের আল-আমিন গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মিলন তার স্ত্রীকে মারধর করেন। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় বাজারের একটি ফার্মেসিতে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এ ঘটনায় নিহত নারীর ছোট ভাই বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে র‌্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী এবং র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে রোববার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকার ছোটপুল থেকে মো. মিলনকে গ্রেপ্তার করে। পরে হালিশহর বড়পোল মোড় এলাকা থেকে সাহেদা আক্তার লাইজুকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. মিলন (৪০) এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাহেদা আক্তার লাইজু (৩০)।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে মিলনের সঙ্গে নিহত নারীর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, মিলন প্রায়ই তার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। গত ১২ মার্চ ভোরে হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের আল-আমিন গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মিলন তার স্ত্রীকে মারধর করেন। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় বাজারের একটি ফার্মেসিতে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এ ঘটনায় নিহত নারীর ছোট ভাই বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে র‌্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী এবং র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে রোববার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকার ছোটপুল থেকে মো. মিলনকে গ্রেপ্তার করে। পরে হালিশহর বড়পোল মোড় এলাকা থেকে সাহেদা আক্তার লাইজুকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।