ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশার সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, পাঁচ শিশুসহ আহত-৬ মানবিক তারুণ্যের ৮ম যুব সম্মেলন ও এ্যাওয়ার্ড বিতরণ সম্পত্তির বিরোধ নিয়ে থানায় অভিযোগ, পুলিশের তদন্তকালে বাদীর উপর হামলা, আহত ৪ হাসনাত-সারজিস ছাত্রলীগ থেকে গিয়ে নতুন দলে এসেছে: ইসমাইল সম্রাট কবিরহাটের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র শিরিন গার্ডেনে হামলার অভিযোগ, পুলিশসহ আহত ৭ সুধারামে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, অভিযোগ যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতকর্মীদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মালিকানা ছিনতাই করেও এনসিপি সংগঠন হিসেবে ব্যর্থ হয়েছে: নাছির Blind Amjad receives Eid gift from Tarique Zia জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে দৃষ্টি হারানো আমজাদ পেলো তারেক জিয়ার ঈদ উপহার ভাড়াটিয়ার দোকানে তালা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

সেনবাগে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামী নিহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২০ ৩৭২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে মিজানুর রহমান মিজান (৪০) এক ধর্ষণ মামলার আসামী নিহত হয়েছে। এসময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, দু’টি কার্তুজ ও একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজার এলাকা এ বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত মিজানুর রহমান সোনাইমুড়ী পৌরসভার নাওতলা এলাকার আলা উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার বিকালে সোনাইমুড়ী উপজেলার একটি বেকারিতে কর্মরত এক কিশোরী (১৪) তার গ্রামের বাড়ী কবিরহাটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কর্মস্থল থেকে বের হয়। এসময় মিজান ওই কিশোরীকে কবিরহাটে পৌঁছে দিবে বলে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা তুলে নেয়। পরবর্তীতে এদিক সেদিক ঘুরে সন্ধ্যার দিকে কবিরহাটে না নিয়ে মিজান কিশোরীকে জোর পূর্বক সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকায় নিয়ে যায়। পরে তাকে আটকে রেখে মিজান ও তার এক সহযোগী রাতভর পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ধর্ষকরা পালিয়ে গেলে রবিবার সকালে ওই কিশোরী বাদী হয়ে ওই দুইজনকে আসামী করে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, মামলার সূত্র ধরে রবিবার রাতে ছাতারপাইয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যমতে তাকে নিয়ে অপর আসামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হয়। রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজারে পৌঁছলে মিজানের সহযোগিরা পুলিশের ওপর অর্তকিত হামলা ও গুলি চালিয়ে মিজানকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছুঁড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটলে একসময় মিজানের সহযোগিরা পালিয়ে যায়। গোলাগুলিতে তার সহযোগিদের গুলিতে মিজান গুলিবিদ্ধ হলে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, মিজানের সহযোগিদের হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যরা হচ্ছেন, রসুল মীর, পিয়াস সরকার ও পিপল। তাদের সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ১২রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুঁড়েছে। মামলার অপর আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পলাতক আসামীসহ অজ্ঞাত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

সেনবাগে বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষণ মামলার আসামী নিহত

আপডেট সময় : ১২:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২০

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে মিজানুর রহমান মিজান (৪০) এক ধর্ষণ মামলার আসামী নিহত হয়েছে। এসময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, দু’টি কার্তুজ ও একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজার এলাকা এ বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত মিজানুর রহমান সোনাইমুড়ী পৌরসভার নাওতলা এলাকার আলা উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার বিকালে সোনাইমুড়ী উপজেলার একটি বেকারিতে কর্মরত এক কিশোরী (১৪) তার গ্রামের বাড়ী কবিরহাটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কর্মস্থল থেকে বের হয়। এসময় মিজান ওই কিশোরীকে কবিরহাটে পৌঁছে দিবে বলে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা তুলে নেয়। পরবর্তীতে এদিক সেদিক ঘুরে সন্ধ্যার দিকে কবিরহাটে না নিয়ে মিজান কিশোরীকে জোর পূর্বক সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া এলাকায় নিয়ে যায়। পরে তাকে আটকে রেখে মিজান ও তার এক সহযোগী রাতভর পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ধর্ষকরা পালিয়ে গেলে রবিবার সকালে ওই কিশোরী বাদী হয়ে ওই দুইজনকে আসামী করে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, মামলার সূত্র ধরে রবিবার রাতে ছাতারপাইয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যমতে তাকে নিয়ে অপর আসামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হয়। রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজারে পৌঁছলে মিজানের সহযোগিরা পুলিশের ওপর অর্তকিত হামলা ও গুলি চালিয়ে মিজানকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছুঁড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটলে একসময় মিজানের সহযোগিরা পালিয়ে যায়। গোলাগুলিতে তার সহযোগিদের গুলিতে মিজান গুলিবিদ্ধ হলে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, মিজানের সহযোগিদের হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যরা হচ্ছেন, রসুল মীর, পিয়াস সরকার ও পিপল। তাদের সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ১২রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুঁড়েছে। মামলার অপর আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় পলাতক আসামীসহ অজ্ঞাত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।