ঢাকা ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

কোম্পানীগঞ্জে বৃদ্ধা মহিলা খুনের রহস্য উদ্ঘাটন, আটক ২

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৫০৬৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জহুরা খাতুন (৯০) নামের এক বৃদ্ধা মহিলা খুনের রহস্য উদঘাটন হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত, ২ আসামিকে গতকাল আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নিহত বৃদ্ধার ছেলে মো. ইলিয়াছ’র বউ জোসনা আরা বেগম রুনি (৩৬) ও রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো.আশিক (২৩)।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় ওই বৃদ্ধা খুনের ৪দিন পর সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আরিফুর রহমান। তিনি আরও বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যেই এ খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

 

তিনি বলেন, এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত কয়েক জনকে আসামি করে (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহীদ হোসাইন জানান, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান’র নেতৃত্বে মামলার সন্দেহভাজন আসামি আশিক ও জোসনা আরা বেগম রুনিকে ঘটনার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে কৌশলে আটক করা হয়।

 

এক পর্যায়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জোসনা আরা বেগম রুনি এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বেচ্ছায় স্বীকার করেন। পরে তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালতে তারা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

 

মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, নিহত জহুরা খাতুন (৯০) এর সাথে তার পুত্রবধূ রুনি’র সাথে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদসহ কলহ লেগেই থাকত। রুনির স্বামী দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার কারণে সে অন্য ছেলের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলে। পুত্রবধূ রুনি পারিবারিক কলহের জের ধরে তাহার সহযোগী গ্রেফতারকৃত আসামি মো. আশিক ও অপর পলাতক আসামি সহ ৫০০০ টাকার বিনিময়ে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত অনুমানিক ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে তার শাশুড়ি জহুরা খাতুনকে তার প্রবাসে থাকা নাতীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার অজুহাতে কৌশলে ঘর থেকে বাহির করে নিয়ে হত্যা করে।

পরে বাড়ি থেকে ৪০০ মিটার পশ্চিমে ধান ক্ষেতে কাদা পানিতে মাথা ডুবিয়ে লাশ গোপন করে রাখে।
শনিবার (৫সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার একটি ধান ক্ষেত থেকে জহুরা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

কোম্পানীগঞ্জে বৃদ্ধা মহিলা খুনের রহস্য উদ্ঘাটন, আটক ২

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জহুরা খাতুন (৯০) নামের এক বৃদ্ধা মহিলা খুনের রহস্য উদঘাটন হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত, ২ আসামিকে গতকাল আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নিহত বৃদ্ধার ছেলে মো. ইলিয়াছ’র বউ জোসনা আরা বেগম রুনি (৩৬) ও রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো.আশিক (২৩)।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় ওই বৃদ্ধা খুনের ৪দিন পর সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আরিফুর রহমান। তিনি আরও বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যেই এ খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

 

তিনি বলেন, এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. সেলিম বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত কয়েক জনকে আসামি করে (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহীদ হোসাইন জানান, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান’র নেতৃত্বে মামলার সন্দেহভাজন আসামি আশিক ও জোসনা আরা বেগম রুনিকে ঘটনার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে কৌশলে আটক করা হয়।

 

এক পর্যায়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জোসনা আরা বেগম রুনি এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বেচ্ছায় স্বীকার করেন। পরে তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালতে তারা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

 

মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, নিহত জহুরা খাতুন (৯০) এর সাথে তার পুত্রবধূ রুনি’র সাথে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া বিবাদসহ কলহ লেগেই থাকত। রুনির স্বামী দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার কারণে সে অন্য ছেলের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলে। পুত্রবধূ রুনি পারিবারিক কলহের জের ধরে তাহার সহযোগী গ্রেফতারকৃত আসামি মো. আশিক ও অপর পলাতক আসামি সহ ৫০০০ টাকার বিনিময়ে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত অনুমানিক ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে তার শাশুড়ি জহুরা খাতুনকে তার প্রবাসে থাকা নাতীর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার অজুহাতে কৌশলে ঘর থেকে বাহির করে নিয়ে হত্যা করে।

পরে বাড়ি থেকে ৪০০ মিটার পশ্চিমে ধান ক্ষেতে কাদা পানিতে মাথা ডুবিয়ে লাশ গোপন করে রাখে।
শনিবার (৫সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার একটি ধান ক্ষেত থেকে জহুরা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।