ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

আগুনে পুড়ে গৃহবধূর মৃত্যু ছেলে’সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০ ২৮১৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

 

নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে ঘরে আগুন দিয়ে সৎ মা’কে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ এনে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় নিহত গৃহবধূর সৎ ছেলে কামাল উদ্দিনকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। ঘটনারদিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটককৃত শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নিহত আসমা বেগমের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় কামাল উদ্দিন ও শামীম’সহ ৩জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামী করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শামীম হোসেন ছালেপুর গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে।

মামলার তন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) এমদাদুল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মামলার ২নং আসামী শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তাকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রধান আসামী কামাল উদ্দিন ও ৩নং আসামী তারেক হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় রয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, কালাদরাপ ইউনিয়নের রামহরিতালুক গ্রামের প্রবাসী ইসমাইল হোসেন বাবুলের ১ম সংসারের বড় ছেলে কামাল উদ্দিনের সাথে তার সৎ মা আসমা বেগমের জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই ঘটনার জেরে সোমবার সকালে ১০টার দিকে বাড়ীতে গিয়ে শ্যালক শামীম হোসেনের সহযোগিতায় ২ বোতল অকটেন ঘরের মধ্যে ডেলে দিয়ে শামীমের বন্ধু তারেক দিয়াশলাই আগিয়ে দিলে কামাল তা দিয়ে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে ঘরে থাকা আসমা বেগম এবং ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কামালও দগ্ধ হয়। এসময় আসমা ও কামালকে উদ্ধার করতে তাদের স্বজনরা এগিয়ে আসে। উদ্ধারকারীদের মধ্যে তারেক, মান্নান, সুমন দগ্ধ হন হন। দগ্ধদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আছমা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে নেওয়ার পথে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আসমা বেগমের মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

আগুনে পুড়ে গৃহবধূর মৃত্যু ছেলে’সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

 

নোয়াখালীর সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে ঘরে আগুন দিয়ে সৎ মা’কে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ এনে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় নিহত গৃহবধূর সৎ ছেলে কামাল উদ্দিনকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। ঘটনারদিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটককৃত শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নিহত আসমা বেগমের বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় কামাল উদ্দিন ও শামীম’সহ ৩জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামী করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শামীম হোসেন ছালেপুর গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে।

মামলার তন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) এমদাদুল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মামলার ২নং আসামী শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তাকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রধান আসামী কামাল উদ্দিন ও ৩নং আসামী তারেক হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় রয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, কালাদরাপ ইউনিয়নের রামহরিতালুক গ্রামের প্রবাসী ইসমাইল হোসেন বাবুলের ১ম সংসারের বড় ছেলে কামাল উদ্দিনের সাথে তার সৎ মা আসমা বেগমের জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই ঘটনার জেরে সোমবার সকালে ১০টার দিকে বাড়ীতে গিয়ে শ্যালক শামীম হোসেনের সহযোগিতায় ২ বোতল অকটেন ঘরের মধ্যে ডেলে দিয়ে শামীমের বন্ধু তারেক দিয়াশলাই আগিয়ে দিলে কামাল তা দিয়ে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে ঘরে থাকা আসমা বেগম এবং ঘর থেকে বের হওয়ার সময় কামালও দগ্ধ হয়। এসময় আসমা ও কামালকে উদ্ধার করতে তাদের স্বজনরা এগিয়ে আসে। উদ্ধারকারীদের মধ্যে তারেক, মান্নান, সুমন দগ্ধ হন হন। দগ্ধদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আছমা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে নেওয়ার পথে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আসমা বেগমের মৃত্যু হয়।