ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬ কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ নতুন কূপে খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সংবাদ সম্মেলন হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু, চাটখিলে হাসপাতালে ভাঙচুর ডিবি পুলিশের অভিযানে হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বারবিকিউ পার্টিতে মদপানে তরুণের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪ মাদকসেবী অপবাদে রিকশাচালককে হত্যা, পিবিআইয়ের জালে দুই কিশোর প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে কবিরহাটে বিএনপির জরুরী সংবাদ সম্মেলন

নষ্ট মিটারের শর্ট সার্কিটে পুড়ল কৃষকের বসতঘরসহ ৪ গরু, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

সুবর্ণচর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ১২৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পল্লী বিদ্যুতের নষ্ট মিটার থেকে সৃষ্ট শর্ট সার্কিটের আগুনে এক কৃষকের বসতঘর, গোয়ালঘর ও চারটি গরু পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারি সোহরাব কবিরাজ এ ঘটনার জন্য পল্লী বিদ্যুতের অবহেলাকে দায়ী করে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোররাতে উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সোহরাব কবিরাজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সোহরাব কবিরাজ বলেন, প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে তার বিদ্যুতের মিটারে ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় প্রতি মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার অতিরিক্ত বিল আসতে থাকে। বিষয়টি জানিয়ে তিনি সুবর্ণচর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে চার মাসে চারবার লিখিত অভিযোগ করেন। তবে মিটার পরিবর্তনের পরিবর্তে তাকে প্রতি মাসে আনুমানিক ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কাল্পনিক বিল পরিশোধ করতে বলা হয় এবং পরে মিটার বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস পার হলেও কর্তৃপক্ষ মিটার পরিবর্তন করেনি। মঙ্গলবার ভোররাতে ওই নষ্ট মিটার থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে তার চারটি গরু, একটি মোটরসাইকেল ও একটি সাইকেলসহ দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। পল্লী বিদ্যুতের অবহেলার কারণেই এ ক্ষতি হয়েছে। আমি ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাই।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আরব আলী শেখ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে কৃষকের অভিযোগের কোনো কপি অফিসে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।

সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রুবেল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোররাতে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নষ্ট মিটারের শর্ট সার্কিটে পুড়ল কৃষকের বসতঘরসহ ৪ গরু, পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পল্লী বিদ্যুতের নষ্ট মিটার থেকে সৃষ্ট শর্ট সার্কিটের আগুনে এক কৃষকের বসতঘর, গোয়ালঘর ও চারটি গরু পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারি সোহরাব কবিরাজ এ ঘটনার জন্য পল্লী বিদ্যুতের অবহেলাকে দায়ী করে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোররাতে উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সোহরাব কবিরাজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সোহরাব কবিরাজ বলেন, প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস আগে তার বিদ্যুতের মিটারে ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় প্রতি মাসে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার অতিরিক্ত বিল আসতে থাকে। বিষয়টি জানিয়ে তিনি সুবর্ণচর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসে চার মাসে চারবার লিখিত অভিযোগ করেন। তবে মিটার পরিবর্তনের পরিবর্তে তাকে প্রতি মাসে আনুমানিক ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কাল্পনিক বিল পরিশোধ করতে বলা হয় এবং পরে মিটার বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস পার হলেও কর্তৃপক্ষ মিটার পরিবর্তন করেনি। মঙ্গলবার ভোররাতে ওই নষ্ট মিটার থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে তার চারটি গরু, একটি মোটরসাইকেল ও একটি সাইকেলসহ দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। পল্লী বিদ্যুতের অবহেলার কারণেই এ ক্ষতি হয়েছে। আমি ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাই।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম আরব আলী শেখ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে কৃষকের অভিযোগের কোনো কপি অফিসে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।

সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. রুবেল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভোররাতে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।