ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬ কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ নতুন কূপে খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সংবাদ সম্মেলন হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু, চাটখিলে হাসপাতালে ভাঙচুর ডিবি পুলিশের অভিযানে হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বারবিকিউ পার্টিতে মদপানে তরুণের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪ মাদকসেবী অপবাদে রিকশাচালককে হত্যা, পিবিআইয়ের জালে দুই কিশোর প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে কবিরহাটে বিএনপির জরুরী সংবাদ সম্মেলন

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ১০৬ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। তাদের মধ্যে ৮৫ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১ হাজার ২১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ( ৮ অক্টোবর) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান চালানো হয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা, ৫৩ জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন, সাতজনকে নিয়মিত মামলায়, ১৩ জনকে আগের মামলায় এবং দুজনকে আগের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ছাড়া একজনকে ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার, দুজনকে সামারি ট্রায়ালে আদালতে সোপর্দ এবং চারজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।

থানাভিত্তিক হিসাবে, হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ২৮৯ জন, বেগমগঞ্জে ১৮৩ জন, কোম্পানীগঞ্জে ১৩১ জন, সুধারাম মডেল থানায় ১২৫ জন, চরজব্বরে ১১০ জন, সোনাইমুড়ীতে ৯২ জন, কবিরহাটে ৬০ জন, চাটখিলে ৫৯ জন ও সেনবাগে ৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬

আপডেট সময় : ১০:০৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১ হাজার ১০৬ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। তাদের মধ্যে ৮৫ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১ হাজার ২১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ( ৮ অক্টোবর) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান চালানো হয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা, ৫৩ জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন, সাতজনকে নিয়মিত মামলায়, ১৩ জনকে আগের মামলায় এবং দুজনকে আগের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ছাড়া একজনকে ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার, দুজনকে সামারি ট্রায়ালে আদালতে সোপর্দ এবং চারজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।

থানাভিত্তিক হিসাবে, হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ২৮৯ জন, বেগমগঞ্জে ১৮৩ জন, কোম্পানীগঞ্জে ১৩১ জন, সুধারাম মডেল থানায় ১২৫ জন, চরজব্বরে ১১০ জন, সোনাইমুড়ীতে ৯২ জন, কবিরহাটে ৬০ জন, চাটখিলে ৫৯ জন ও সেনবাগে ৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।