ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে যৌথ অভিযানে ৪ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পানিতে ডুবে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন জয়পুরহাটে মোটরসাইকেল-অটোরিকশার সংঘর্ষে যুবক নিহত জয়পুরহাটে কিডনি বিক্রি করেও বদলেনি ভাগ্য! ট্রান্সফরমার চুরি মামলায় গ্রেপ্তার শামছুল ইসলাম নোয়াখালীতে চো’র আখ্যা দিয়ে প্র/তিব/ন্ধী যুব’ককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা, আটক-৪ কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আরো ১৪৫ আটক ঘুমন্ত সাবেক স্বামীকে ছু/রিকা-ঘাতে হ-ত্যা, স্ত্রী-শাশুড়ি আটক প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কি/শো/রী/কে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১০৪

হত্যার ১৬ বছর পর মামলার রায়ে দুই ভাসুরের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অগাস্ট ২০২২ ৯২১৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালী সদর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরধরে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে হত্যার দায়ে দুই ভাসুরকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত।

 

দন্ডিত মাইনুদ্দিন (৪৫) ও সবুজ (৩০) নোয়াখালীর সদর উপজেলার দয়ারামদি গ্রামের সারেং বাড়ির তাজুল ইসলামের ছেলে।

 

নোয়াখালী জেলা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এনএম মোর্শেদ খান গতকাল সোমবার বিকেল ৪টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবনের পাশাপাশি আদালত তাদেরকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং তা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।

 

রায় ঘোষণার সময় আসামি মাইনুদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাকে পুলিশ পাহারায় নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তবে অপর আসামি সবুজ পলাতক ছিলেন।

 

আদালতের নথি ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা যা, ২০০৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে আসামি মাইনুদ্দিন ও সবুজ গৃহবধূ আমেনা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন। আমেনার স্বামী বিদেশ থাকায় তার মা রোমেনা বেগমকে জানান। এরপর দ্রুত মরদেহ দাফন করেন।

 

নিহতের মা রোমেনা বেগম বলেন, তারা আমার মেয়েকে হত্যা করে দ্রুত মরদেহ দাফন করে। পরবর্তীতে তিনি পুকুরে তার জামা কাপড় ভাসতে দেখে। আখি ও টুটুল নামে দুই নাতি তাদের মায়ের মৃত্যুর বর্ণনা দেয়। পরবর্তীতে তিনি বাদী হয়ে ২০০৬ সালের ২১ মার্চ আদালতে মামলা করেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের কৌঁসুলি (পিপি) মো. এমদাদ হোসেন কৈশোর বলেন, দীর্ঘ শুনানী শেষে এ মামলায় অভিযুক্ত মাইনুদ্দিন ও সবুজকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- দিয়েছে আদালত। আদালত উক্ত মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

হত্যার ১৬ বছর পর মামলার রায়ে দুই ভাসুরের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অগাস্ট ২০২২

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালী সদর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরধরে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে হত্যার দায়ে দুই ভাসুরকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত।

 

দন্ডিত মাইনুদ্দিন (৪৫) ও সবুজ (৩০) নোয়াখালীর সদর উপজেলার দয়ারামদি গ্রামের সারেং বাড়ির তাজুল ইসলামের ছেলে।

 

নোয়াখালী জেলা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এনএম মোর্শেদ খান গতকাল সোমবার বিকেল ৪টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবনের পাশাপাশি আদালত তাদেরকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং তা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।

 

রায় ঘোষণার সময় আসামি মাইনুদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাকে পুলিশ পাহারায় নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তবে অপর আসামি সবুজ পলাতক ছিলেন।

 

আদালতের নথি ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা যা, ২০০৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে আসামি মাইনুদ্দিন ও সবুজ গৃহবধূ আমেনা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন। আমেনার স্বামী বিদেশ থাকায় তার মা রোমেনা বেগমকে জানান। এরপর দ্রুত মরদেহ দাফন করেন।

 

নিহতের মা রোমেনা বেগম বলেন, তারা আমার মেয়েকে হত্যা করে দ্রুত মরদেহ দাফন করে। পরবর্তীতে তিনি পুকুরে তার জামা কাপড় ভাসতে দেখে। আখি ও টুটুল নামে দুই নাতি তাদের মায়ের মৃত্যুর বর্ণনা দেয়। পরবর্তীতে তিনি বাদী হয়ে ২০০৬ সালের ২১ মার্চ আদালতে মামলা করেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের কৌঁসুলি (পিপি) মো. এমদাদ হোসেন কৈশোর বলেন, দীর্ঘ শুনানী শেষে এ মামলায় অভিযুক্ত মাইনুদ্দিন ও সবুজকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- দিয়েছে আদালত। আদালত উক্ত মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।