ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে যাত্রী ছাউনিতে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব নোয়াখালীতে মোটরের বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু একই পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস লন্ডনে, এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ নারিকেলডাব পাড়ার প্রলোভনে ডেকে নিয়ে শিশুকে বলৎকার একরাতে কোম্পানীগঞ্জের তিন বাড়িতে ডাকাতি মাদক ব্যবসায়ীর রাজকীয় আস্তানা: কুঁড়েঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার নোয়াখালীতে দুর্বৃত্তের আগুনে জ্বলল জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ মাদকের বিবাদে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, নোয়াখালীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ পাঁচ জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল, একই আদেশে আরও আট কর্মকর্তাকে পদায়ন

শ্রেষ্ঠ জয়িতা পুরষ্কার পেলেন নোয়াখালীর যষদা রানী দাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২ ১১০৮৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

সফল জননী হিসেবে শ্রেষ্ঠ জয়িতা পুরস্কার পেলেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের যষদা রানী দাস। শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পর্যায়ে আন্তর্জাতিক নারী প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক কাযক্রমের আওতায় সফল জননী হিসেবে যষদা রানী দাসকে ক্রেস্ট প্রদান করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান। এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পর্যায়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা হলরুমে সফল জননী হিসেবে তাকে ক্রেস্ট প্রদান করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবা উল আলম ভূঁইয়া।

 

জানা যায়, পারিবারিক প্রতিক‚লতা ও সার্বিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানের সার্বক্ষণিক তদারকি করেছেন তিনি। নিজের ব্যক্তি, সখ, আহ্লাদ সন্তানদের মানুষ করার স্বার্থে বিসর্জন দিয়েছেন। তিনি দুই ছেলে ও এক কন্যার সফল জননী। তার প্রতিটি সন্তানই প্রতিষ্ঠিত। ৩ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে চট্রগ্রাম জেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস, ছোট ছেলে সিভিল বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার তাপস চন্দ্র দাস, মেয়ে কনিকা রানী দাস টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক।

 

সফল মা যষদা রানীর বড় ছেলে চট্রগ্রাম জেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস বলেন, আমার মা সফল জননী হিসেবে নোয়াখালী জেলা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা দুই পর্যায়েই শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে আমার মা ও আমি (প্রতিনিধি) হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করি। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে আমার মা অসুস্থ। তার শারীরিক সুস্থতার জন্য আমি সবার আশীর্বাদ ও দোয়া কামনা করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

শ্রেষ্ঠ জয়িতা পুরষ্কার পেলেন নোয়াখালীর যষদা রানী দাস

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

সফল জননী হিসেবে শ্রেষ্ঠ জয়িতা পুরস্কার পেলেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের যষদা রানী দাস। শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পর্যায়ে আন্তর্জাতিক নারী প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক কাযক্রমের আওতায় সফল জননী হিসেবে যষদা রানী দাসকে ক্রেস্ট প্রদান করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান। এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পর্যায়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা হলরুমে সফল জননী হিসেবে তাকে ক্রেস্ট প্রদান করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবা উল আলম ভূঁইয়া।

 

জানা যায়, পারিবারিক প্রতিক‚লতা ও সার্বিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রতিটি সন্তানের সার্বক্ষণিক তদারকি করেছেন তিনি। নিজের ব্যক্তি, সখ, আহ্লাদ সন্তানদের মানুষ করার স্বার্থে বিসর্জন দিয়েছেন। তিনি দুই ছেলে ও এক কন্যার সফল জননী। তার প্রতিটি সন্তানই প্রতিষ্ঠিত। ৩ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে চট্রগ্রাম জেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস, ছোট ছেলে সিভিল বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার তাপস চন্দ্র দাস, মেয়ে কনিকা রানী দাস টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক।

 

সফল মা যষদা রানীর বড় ছেলে চট্রগ্রাম জেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস বলেন, আমার মা সফল জননী হিসেবে নোয়াখালী জেলা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা দুই পর্যায়েই শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে আমার মা ও আমি (প্রতিনিধি) হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করি। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে আমার মা অসুস্থ। তার শারীরিক সুস্থতার জন্য আমি সবার আশীর্বাদ ও দোয়া কামনা করি।