ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
উসকানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি রাষ্ট্রের আদর্শ পরিবর্তন জরুরি: ইমাম সেলিম নোয়াখালীতে ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে মতবিনিময় সভা প্রাইেভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবা হাতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী গভীর রাতে চাচীর ঘরে ভাতিজা, পুরুষাঙ্গ কেটে উধাও চাচী নোয়াখালীতে র‌্যাবের অভিযান: ২ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ, দুই বিরিয়ানি হাউজকে জরিমানা মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ থানার সামনে সড়ক দূর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু

ইমামকে মারধর করল হাসপাতাল মালিক, ভিডিও ভাইরাল সোস্যাল মিডিয়ায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩ ১৪৬৭৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে মো. হাফিজ মাহমুদুল হাসান নামে একজন ইমামকে মারধর করেছেন বেসরকারি হাসপাতাল প্রাইম হসপিটালের চেয়ারম্যান শামিমা জাহান সুইটি।

 

ইমামকে মারধরের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সোমবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এর আগে, গতকাল রোববার বিকালে শহরের মাইজদী হাসপাতাল সড়কে একটি ফার্মেসিতে এ ঘটনা ঘটে।

 

৪১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, শামিমা জাহান সুইটি ফার্মেসিতে ঢুকে দাঁড়িয়ে প্রথমে ইমাম হাফিজ মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে কথা বলছেন। এর একপর্যায়ে সুইটি ধীরে ধীরে ইমামের কাছে যান এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই ইমাম হাফিজ মাহমুদুল হাসানকে মারধর শুরু করেন। মারধর করতে করতে তাকে ফার্মেসির ভেতরে নিয়ে যান সুইটি।

 

জানা যায়, রবিবার সকালে স্থানীয় হাজী নূর ইসলাম মসজিদের ইমাম জহুর নামাজের জন্য মসজিদ পরিষ্কার করছিলেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রাইম হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মাহাবুবুর রহমান মসজিদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তার গায়ে ধুলো পড়ে এমন অভিযোগে ইমাম হাফিজকে গালমন্দ এবং একপর্যায়ে ব্যাপক মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় বিকালে পুনরায় মাহাবুবুর রহমানের স্ত্রী প্রাইম হসপিটালের চেয়ারম্যান শামিমা জাহান সুইটি হাসপাতালের সামনের ইসলাম ফার্মেসিতে গিয়ে ওই ইমামকে আবারও মারধর করেন।

 

এ বিষয়টি জানতে একাধিক যোগাযোগ করা হলেও শামিমা জাহান সুইটিকে পাওয়া যায়নি।

 

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তদের পুলিশ থানায় নিয়ে আসলে তারা ভুক্তভোগীর সাথে বিষয়টি মিটমাট করে নেয়। ভুক্তভোগী ইমাম এ ঘটনায় মামলা করেনি। তারা নিজেরা নিজেরা বিষয়টি সমাধান করে নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

ইমামকে মারধর করল হাসপাতাল মালিক, ভিডিও ভাইরাল সোস্যাল মিডিয়ায়

আপডেট সময় : ০৬:২৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে মো. হাফিজ মাহমুদুল হাসান নামে একজন ইমামকে মারধর করেছেন বেসরকারি হাসপাতাল প্রাইম হসপিটালের চেয়ারম্যান শামিমা জাহান সুইটি।

 

ইমামকে মারধরের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সোমবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এর আগে, গতকাল রোববার বিকালে শহরের মাইজদী হাসপাতাল সড়কে একটি ফার্মেসিতে এ ঘটনা ঘটে।

 

৪১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, শামিমা জাহান সুইটি ফার্মেসিতে ঢুকে দাঁড়িয়ে প্রথমে ইমাম হাফিজ মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে কথা বলছেন। এর একপর্যায়ে সুইটি ধীরে ধীরে ইমামের কাছে যান এবং কিছু বুঝে ওঠার আগেই ইমাম হাফিজ মাহমুদুল হাসানকে মারধর শুরু করেন। মারধর করতে করতে তাকে ফার্মেসির ভেতরে নিয়ে যান সুইটি।

 

জানা যায়, রবিবার সকালে স্থানীয় হাজী নূর ইসলাম মসজিদের ইমাম জহুর নামাজের জন্য মসজিদ পরিষ্কার করছিলেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রাইম হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মাহাবুবুর রহমান মসজিদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তার গায়ে ধুলো পড়ে এমন অভিযোগে ইমাম হাফিজকে গালমন্দ এবং একপর্যায়ে ব্যাপক মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় বিকালে পুনরায় মাহাবুবুর রহমানের স্ত্রী প্রাইম হসপিটালের চেয়ারম্যান শামিমা জাহান সুইটি হাসপাতালের সামনের ইসলাম ফার্মেসিতে গিয়ে ওই ইমামকে আবারও মারধর করেন।

 

এ বিষয়টি জানতে একাধিক যোগাযোগ করা হলেও শামিমা জাহান সুইটিকে পাওয়া যায়নি।

 

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তদের পুলিশ থানায় নিয়ে আসলে তারা ভুক্তভোগীর সাথে বিষয়টি মিটমাট করে নেয়। ভুক্তভোগী ইমাম এ ঘটনায় মামলা করেনি। তারা নিজেরা নিজেরা বিষয়টি সমাধান করে নিয়েছেন।