ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবিরের মব সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে নোয়াখালীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ প্রশাসনের শর্ত লঙ্ঘন করে উস্কানি ও মিথ্যাচার করেছে হেফাজত ও কওমীরা- দাবি হেযবুত তওহীদের উসকানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি রাষ্ট্রের আদর্শ পরিবর্তন জরুরি: ইমাম সেলিম নোয়াখালীতে ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে মতবিনিময় সভা প্রাইেভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবা হাতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী গভীর রাতে চাচীর ঘরে ভাতিজা, পুরুষাঙ্গ কেটে উধাও চাচী নোয়াখালীতে র‌্যাবের অভিযান: ২ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ, দুই বিরিয়ানি হাউজকে জরিমানা

দেয়াল জুড়ে প্রেমিকার নাম লিখে, ওই কক্ষে ফাঁস নিল কিশোর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩ ৪৩৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলা থেকে পুলিশ এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহত কিশোরের নাম মোহাইমিনুল ইসলাম (১৭)। সে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বয়ান চেয়ারম্যান বাড়ির আবুধাবি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের ছেলে।

 

শনিবার (২৬ আগস্ট) বিকেলের দিকে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে, একই দিন দুপুরের দিকে পুলিশ উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধ আবুল বয়ান চেয়ারম্যান বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতের পিতা- মাতা প্রবাসে থাকেন। ওই কিশোর তার দাদা-দাদীর সাথে থাকতো। চলতি বছর মাধ্যমিক পাস করেছে। উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল। সে তৃষা নামের এক মেয়ের সাথে প্রণয় ঘটিত বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যকে কেন্দ্র করে শুক্রবার গভীর রাতে নিজ শয়ন কক্ষের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে শনিবার সকালের দিকে পরিবারের সদস্যরা তার শয়ন কক্ষে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।

 

সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী মো. সুলতান আহছান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে ওই কিশোর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

 

ওসি তদন্ত আরও বলেন, নিহত কিশোরের শয়ন কক্ষের দেয়াল ও মেঝেতে তৃষা নামে এক মেয়ের নাম লেখা আছে অনেকবার। ধারণা করা হচ্ছে, প্রণয় ঘটিত বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যের জের ধরে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

দেয়াল জুড়ে প্রেমিকার নাম লিখে, ওই কক্ষে ফাঁস নিল কিশোর

আপডেট সময় : ১০:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলা থেকে পুলিশ এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহত কিশোরের নাম মোহাইমিনুল ইসলাম (১৭)। সে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বয়ান চেয়ারম্যান বাড়ির আবুধাবি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের ছেলে।

 

শনিবার (২৬ আগস্ট) বিকেলের দিকে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে, একই দিন দুপুরের দিকে পুলিশ উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধ আবুল বয়ান চেয়ারম্যান বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতের পিতা- মাতা প্রবাসে থাকেন। ওই কিশোর তার দাদা-দাদীর সাথে থাকতো। চলতি বছর মাধ্যমিক পাস করেছে। উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল। সে তৃষা নামের এক মেয়ের সাথে প্রণয় ঘটিত বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যকে কেন্দ্র করে শুক্রবার গভীর রাতে নিজ শয়ন কক্ষের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে শনিবার সকালের দিকে পরিবারের সদস্যরা তার শয়ন কক্ষে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।

 

সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী মো. সুলতান আহছান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে ওই কিশোর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

 

ওসি তদন্ত আরও বলেন, নিহত কিশোরের শয়ন কক্ষের দেয়াল ও মেঝেতে তৃষা নামে এক মেয়ের নাম লেখা আছে অনেকবার। ধারণা করা হচ্ছে, প্রণয় ঘটিত বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যের জের ধরে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।