এবার দেশের ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলের শক্তির বিষয়ে মিলল ভয়ংকর কিছু
- আপডেট সময় : ০৬:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুই দিনের ব্যবধানে চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদী ও একটি ঢাকায় ছিল। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে একটি এবং শনিবার (২২ নভেম্বর) দিনের বিভিন্ন সময়ে তিনটি ভূমিকম্প হয়, যার ফলে জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ।
আরো পড়ুন: পল্লী চিকিৎসকের অতিরিক্ত ইনজেকশনে শিশুর মৃত্যু, টাকার বিনিময়ে শেষ
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পকে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বলা হচ্ছে। নরসিংদীর মাধবদীতে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৭। ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই একই এলাকায় ফের ৩ দশমিক ৩ মাত্রা ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
আরো পড়ুন: জলবায়ু ন্যায়বিচার দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন
৩টি প্লেট ও ৬ ফল্টের কারণে হচ্ছে এ ভূমিকম্প, কোনটি কোন অঞ্চলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য বলছে, বছর বছর দেশে ভূমিকম্পের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক কম্পনগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে—বাংলাদেশের ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে ফেলেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
আরো পড়ুন: অনিয়মের কারনে যোগ্য হয়েও পদন্নোতিতে বঞ্চিত
তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ও আশপাশের অঞ্চলে ২৮টি ভূমিকম্প রেকর্ড হয়। ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪১-এ, আর ২০২৪ সালে আরও বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৫৪টি। সবশেষ মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ৪ দফা ভূকম্পন বিশেষ উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে ১১ বছরের শিশুর আত্মহত্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ হুমায়ুন আখতার মনে করেন, সাম্প্রতিক ভূকম্পনগুলো প্রমাণ করছে দেশের ভূমিকম্প প্রবণ এলাকাগুলো আরও শক্তি সঞ্চয় করেছে। তার মতে, এখনই স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে ভূমিকম্প মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়াটা অতিব জরুরি।
আরো পড়ুন: হবিগঞ্জে সেনা কর্মকর্তাকে অসম্মান, বিতর্কে হাইওয়ে পুলিশের এসপি রেজাউল
তিনি বলেন, ভূমিকম্পের সঠিক সময় বা স্থান আগে থেকে নির্ভুলভাবে বলা না গেলেও কিছু সহজ প্রস্তুতি প্রাণহানি কমাতে পারে ঘরবাড়িকে নিরাপদ করা, জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জরুরি পরিকল্পনা তৈরি করা। এসবই দুর্যোগের সময় জীবন বাঁচাতে ভূমিকা রাখে।
















